জুনে অস্ট্রেলিয়া সফরে বাংলাদেশ, জয়ের আশায় টাইগাররা
জুনে অস্ট্রেলিয়া সফরে বাংলাদেশ, জয়ের আশা

দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে জুন মাসে অস্ট্রেলিয়া সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ। টাইগারদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সও দুর্দান্ত। পাকিস্তানের বিপক্ষে সবশেষ টেস্ট সিরিজ জয় তার বড় উদাহরণ। এছাড়াও আয়ারল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজ জিতেছেন টাইগাররা। দলের আত্মবিশ্বাস আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।

প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্ট আশরাফুল

অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে নিজেদের প্রস্তুতি নিয়েও সন্তুষ্ট দলের ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল। তিনি বলেন, 'আমরা যেভাবে গত তিনটা সিরিজ খেলছি, আমি বিশ্বাস করি যে আমাদের খেলোয়াড়রা যদি তাদের সেরা ক্রিকেট খেলে, তিনটা বিভাগই ভালো করে, অস্ট্রেলিয়ার সাথে ম্যাচ ধরে ধরে চিন্তা করে আমরা সিরিজ জিততে পারব, ইনশা আল্লাহ।'

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ সহজ নয়

যদিও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সিরিজ সহজ হবে না, সেটা মানেন আশরাফুল। ২০০৫ সালে স্বাগতিক ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ত্রিদেশীয় সিরিজে অজিদের হারানোর স্মৃতি এখনো তাজা এই সাবেক ক্রিকেটারের। সেই সিরিজে অধিনায়ক ছিলেন আশরাফুল। ঐতিহাসিক সেই জয়ের কথা তুলে গতকাল সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, 'অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সিরিজ অবশ্যই কঠিন হবে। আমরা ২০০৫ সালে কার্ডিফে জিতেছিলাম, এরপরে আর কখনোই জেতা হয়নি। যদিও অত বেশি ম্যাচ খেলিনি। অল্প ম্যাচ খেলেছি কিন্তু আর জেতা হয়নি। আমি যখন অধিনায়ক ছিলাম, একবার কাছাকাছি গিয়েছিলাম।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

২০০৮ সালের আক্ষেপ

প্রথমবারের মতো ২০০৮ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিল বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে ১৯৮ রানে স্বাগতিকদের অলআউট করেছিল টাইগাররা। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি জিততে পারেনি বাংলাদেশ। সেই আক্ষেপের কথা তুলে ধরে আশরাফুল বলেন, '২০০৮ সালে আমরা অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিলাম, তাদের ১৯৮ রানে অলআউট করেছিলাম। সেই ম্যাচে তামিম অর্ধশতক করেছিল, সাকিবও ভালো করেছিল, কিন্তু জিততে পারিনি। সেই একটা ম্যাচই মনে হয় আমরা খুব কাছাকাছি গিয়েছিলাম, যেটা আমাদের জেতার মতো ছিল।'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বর্তমান দলের অভিজ্ঞতা

দলের বর্তমান অবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, 'আমি ছয় মাস হয়েছে দলে ঢুকেছি। আমাদের টেস্ট দলটা সবচেয়ে অভিজ্ঞ একটি দল। আপনি যদি দেখেন, আমাদের প্রায় চার-পাঁচজন খেলোয়াড় আছেন যারা পঞ্চাশের বেশি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। মুশফিক তার ১০০তম টেস্ট খেলেছেন, মুমিনুল ৭৮টি ম্যাচ খেলেছেন। এই ধরনের একটি দল যখন খেলে, তখন কাজ করা সহজ। কারণ তারা জানে তাদের কী করতে হবে।'