দ্বিতীয় টেস্ট জিততে পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। তৃতীয় দিন শেষে মাত্র দুই ওভার ব্যাট করে সফরকারী দল কোনো উইকেট না হারিয়ে ৬ রান তুলেছে। স্কোরবোর্ডে আজান আওয়াইজ (৬) ও আব্দুল্লাহ ফজল (০) অপরাজিত রয়েছেন। চতুর্থ দিনে বাংলাদেশ দ্রুত উইকেট তুলে নিয়ে টানা দ্বিতীয় ধবলধোলাইয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে।
সিলেটের পরিসংখ্যান স্বাগতিকদের পক্ষে
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চতুর্থ ইনিংসে বড় রান তাড়া করা অত্যন্ত কঠিন। এখন পর্যন্ত পাঁচটি টেস্টের মধ্যে মাত্র একবারই সফল রান তাড়া সম্ভব হয়েছে। গত বছর জিম্বাবুয়ে ১৭৪ রান তাড়া করে বাংলাদেশকে তিন উইকেটে হারিয়েছিল। তবে লক্ষ্য ৩০০ ছাড়ালেই ব্যাটিং দলকে বড় ব্যবধানে হারের মুখে পড়তে হয়েছে।
২০১৮ সালে ভেন্যুটির অভিষেক টেস্টে ৩২১ রান তাড়া করতে নেমে জিম্বাবুয়ের কাছে ১৫১ রানে হেরেছিল টাইগাররা। ২০২৪ সালে শ্রীলঙ্কার দেওয়া ৫১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে ৩২৮ রানের বড় পরাজয় দেখতে হয়। ২০২৩ সালে একই মাঠে ৩৩২ রান তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ড ১৫০ রানে হেরে যায়।
বাংলাদেশের রেকর্ড ও মুশফিকের সেঞ্চুরি
বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সব টেস্ট মিলিয়ে ৩৫০ রানের বেশি সফলভাবে তাড়া করার ঘটনা ঘটেছে মাত্র একবার। ২০২১ সালে কাইল মেয়ার্সের অনবদ্য ব্যাটিংয়ে ৩৯৫ রান তাড়া করে স্মরণীয় জয় পেয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
এর আগে মুশফিকুর রহিমের (১৩৭) রেকর্ড ১৪তম সেঞ্চুরিতে তৃতীয় দিন দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ। তার সেঞ্চুরির পাশাপাশি লিটন দাসের ৬৯ ও মাহমুদুল হাসান জয়ের ৫২ রানের ইনিংসও বড় অবদান রেখেছে। তাতে ৩৯০ রানে থেমেছে স্বাগতিকদের দ্বিতীয় ইনিংস।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৭৭ ওভারে ২৭৮/১০ (লিটন ১২৬, শান্ত ২৯, মুমিনুল ২২; সাজিদ ৩৮, ফজল ৯)। পাকিস্তান প্রথম ইনিংস: ৫৭.৪ ওভারে ২৩২/১০ (বাবর ৬৮, সাজিদ ৩৮; তাইজুল ৮, তাসকিন ৬)। বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস: ১০২.২ ওভারে ৩৯০/১০ (মুশফিক ১৩৭, লিটন ৬৯, মাহমুদুল ৫২; সাজিদ ৩৮, ফজল ৯)। পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংস: ৩ ওভারে ৬/০ (আওয়াইজ ৬*, ফজল ০*)।



