বিপিএল শেষ হওয়ার ২৫ দিন পর খেলোয়াড়দের পাওনা বুঝিয়ে দিল বিসিবি
বিপিএল শেষ হওয়ার ২৫ দিন পর খেলোয়াড়দের পাওনা দিল বিসিবি

বিপিএল শেষ হওয়ার ২৫ দিন পর খেলোয়াড়দের পাওনা বুঝিয়ে দিল বিসিবি

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) শেষ হওয়ার ২৫ দিন পর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক বুঝিয়ে দিয়েছে। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান জানান, ১২ বছর পরও পারিশ্রমিক নিয়ে আলোচনা করা হতাশাজনক, তবে এবার আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষায় আপস করা হয়নি।

চট্টগ্রাম রয়্যালসের ক্রিকেটাররা শতভাগ পারিশ্রমিক পেয়েছেন

বিসিবির মালিকানাধীন চট্টগ্রাম রয়্যালসের ক্রিকেটাররা তাদের শতভাগ পারিশ্রমিক বুঝে পেয়েছেন। বিপিএল ২০২৬ সালের ২৩ জানুয়ারি শেষ হওয়ার পর এই প্রথম দ্রুত পারিশ্রমিক পরিশোধ করা হলো। ইফতেখার রহমান বলেন, "আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা কঠোর অবস্থান নিয়েছি, যাতে খেলোয়াড়রা সময়মতো তাদের পাওনা পান।"

বিভিন্ন দলের পারিশ্রমিক পরিশোধের অবস্থা

বিপিএলের বিভিন্ন দলের পারিশ্রমিক পরিশোধের অবস্থা নিম্নরূপ:

  • রাজশাহী ওয়ারিয়র্স: চ্যাম্পিয়ন দলটি সবার আগে পুরো অর্থ পরিশোধ করেছে।
  • রংপুর: ৭৫ শতাংশ টাকা দিয়েছে, বাকি অংশ দ্রুত পরিশোধের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
  • নোয়াখালী: ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে। বিসিবির কাছে তাদের ২ কোটি টাকার পে-অর্ডার রয়েছে, সেখান থেকে খেলোয়াড়দের পাওনা পরিশোধ করা হবে।
  • ঢাকা ক্যাপিটালস: পাঁচ কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি দেওয়া হয়েছে, যা দিয়ে সংশ্লিষ্টদের পাওনা পরিশোধ করা হবে।
  • সিলেট টাইটান্স: জমা অর্থ দিয়ে খেলোয়াড়দের পাওনা দেওয়া হবে। তবে সিলেটের এক বিদেশি ক্রিকেটারের অর্থপ্রদানে সামান্য জটিলতা থাকলেও দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে বিসিবি।

ঈদের আগেই সব বকেয়া পরিশোধের লক্ষ্য

বিসিবি ঈদের আগেই সব বকেয়া পরিশোধের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। ইফতেখার রহমান বলেন, "আমরা চাই খেলোয়াড়রা ঈদের আনন্দে অংশ নিতে পারেন, তাই দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।" এই পদক্ষেপ বিপিএলের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং ভবিষ্যতে আরও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিপিএল বাংলাদেশের ক্রিকেটে একটি গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট, এবং খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক সময়মতো পরিশোধ করা টুর্নামেন্টের সাফল্য ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিসিবির এই উদ্যোগ ক্রীড়া প্রশাসনে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।