কুড়িগ্রামে শহীদ দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন
কুড়িগ্রামে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দিবসের প্রথম প্রহরে (রাত ১২টা ১ মিনিটে) কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বেদিতে ভাষা শহীদদের স্মরণে বিনম্র শ্রদ্ধায় পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়।
প্রথম প্রহরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ
জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ এবং পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বী শহীদ মিনার বেদিতে প্রথম পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা বিএনপি, জাতীয় নাগরিক পার্টি, সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ভাষা শহীদের স্মরণে বিনম্র শ্রদ্ধায় পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।
নেতাদের বক্তব্য
শহীদ মিনারে পুষ্প অর্পণের সময় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ বলেন, "একুশের চেতনায় আমরা এখানে এসেছি। আমরা বিশ্বাস করি শহীদদের স্মরণ করার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে ভাষা, সংস্কৃতি সবকিছু আরও সমৃদ্ধি হবে।"
জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মিলি কায়কোবাদ বলেন, "দীর্ঘ ১৭ বছর পর আমরা আজ শহীদ মিনারে পুষ্প অর্পণ করতে আসতে পেরে খুব ভালো লাগছে। সেইসঙ্গে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাধারণ মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে।"
কুড়িগ্রাম জেলা জজ কোটের পাবলিক প্রসিকিউটর বজলুল রশিদ শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, "ভবিষ্যতে যেন এই শহীদের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকে; তাহলে পরবর্তী প্রজন্ম এখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করবে।"
জেলা প্রশাসকের বক্তব্য
জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, "মহান একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা ও স্প্রিরিটের ধারাবাহিকতায় মহান ৭১ এর স্বাধীনতা এসেছে। আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ হয়েছি। আর এ স্বাধীনতা রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের সবার।"
এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং একুশের চেতনা ধারণ করে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
