বাংলা সাহিত্যের বিশ্ববরেণ্য কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী আগামী ৮ মে (২৫ বৈশাখ ১৪৩৩) দেশব্যাপী যথাযথ মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। এ বছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে 'শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ'।
কুষ্টিয়ার শিলাইদহে তিন দিনের আয়োজন
কবির স্মৃতিবিজড়িত কুষ্টিয়ার শিলাইদহে এ বছর তিন দিনব্যাপী জাতীয় পর্যায়ের মূল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনিবার্য কারণবশত প্রধানমন্ত্রী এ অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারবেন না। তাঁর অনুপস্থিতিতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেবেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর ওয়াকিল আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা।
অন্যান্য স্মৃতিবিজড়িত স্থানে অনুষ্ঠান
কুষ্টিয়ার পাশাপাশি নওগাঁর পতিসর, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর ও খুলনার দক্ষিণডিহিতেও বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। পতিসরে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। শাহজাদপুরে উপস্থিত থাকবেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। দক্ষিণডিহিতে উপস্থিত থাকবেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পালন
জাতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় প্রায় এক ঘণ্টার বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে, যেখানে থাকবে নৃত্য, সংগীত ও আবৃত্তি। ঢাকাসহ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা ও রচনা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দিবসটি পালিত হবে।
স্মরণিকা ও পোস্টার বিতরণ
কবির ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলা একাডেমি বিশেষ স্মরণিকা ও পোস্টার মুদ্রণ ও বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছে। শান্তি ও মানবিক মূল্যবোধের প্রসারে বিশ্বকবির জীবন ও কর্মকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
দেশের সর্বত্র এ উৎসব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসনকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও সহযোগিতা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।



