শীত, গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষা—বছরের যেকোনো সময়েই অনেক মানুষ ব্রণের সমস্যায় ভোগেন। ত্বকের লোমকূপে অতিরিক্ত তেল ও মৃত কোষ জমে গেলে সাধারণত ব্রণ দেখা দেয়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকে বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করলেও সব সময় কাঙ্ক্ষিত ফল মেলে না।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী বা গুরুতর ব্রণের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে ভালো। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি চেষ্টা করা যেতে পারে। চলুন সেগুলো জেনে নেওয়া যাক—
রসুন
রসুন শুধু রান্নার উপাদান নয়, ব্রণ কমাতেও এটি সহায়ক বলে মনে করা হয়। কয়েক কোয়া রসুন থেকে রস বের করে ব্রণের ওপর লাগানো যেতে পারে। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলতে হবে। চাইলে রাতভর রেখে সকালে পরিষ্কার করা যেতে পারে।
লেবু ও দারুচিনি
লেবুর রসের সঙ্গে সামান্য দারুচিনি মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করা যায়। এটি রাতে ব্রণের স্থানে লাগিয়ে রেখে সকালে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেললে উপকার পাওয়া যেতে পারে।
শসা
ত্বকের যত্নে শসার ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। এতে থাকা বিভিন্ন ভিটামিন ত্বকের জন্য উপকারী। শসা থেঁতো করে মুখে কিছু সময় লাগিয়ে রাখা যেতে পারে। এছাড়া শসা পানিতে ভিজিয়ে সেই পানি পান করা বা মুখ ধোয়ার কাজেও ব্যবহার করা যায়।
অ্যাসপিরিন
অ্যাসপিরিনে থাকা স্যালিসাইলিক অ্যাসিড ব্রণ শুকাতে সাহায্য করতে পারে। কয়েকটি ট্যাবলেট গুঁড়া করে অল্প পানির সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ব্রণের ওপর লাগানো যায়। রাতে ব্যবহার করে সকালে ধুয়ে ফেললে ভালো ফল মিলতে পারে। তবে সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে অল্প সময় পরই ধুয়ে ফেলা উচিত।
গ্রিন টি
ব্রণ কমাতে গ্রিন টি বেশ কার্যকর বলে ধরা হয়। গ্রিন টি তৈরি করে ঠান্ডা হওয়ার পর তা ব্রণের জায়গায় লাগানো যেতে পারে। তুলা বা টি-ব্যাগ ব্যবহার করেও এটি প্রয়োগ করা সম্ভব। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেললেই যথেষ্ট।
নিয়মিত পরিচর্যা ও সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে ব্রণের সমস্যা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তবে সমস্যা বেশি হলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।



