ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৫ বছরে ৩ লাখ গাছ রোপণের পরিকল্পনা
ডিএসসিসির ৫ বছরে ৩ লাখ গাছ রোপণের পরিকল্পনা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৫ বছরে ৩ লাখ গাছ রোপণের পরিকল্পনা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম শুক্রবার ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরে কর্পোরেশন এলাকায় ৩ লাখ গাছ রোপণ করা হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘সবুজ শহর, পরিচ্ছন্ন শহর’ স্বপ্ন বাস্তবায়নে গণসচেতনতা জরুরি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

আবদুস সালাম শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন। সৃজনী বাংলাদেশের সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন, ‘জীবন রক্ষা ও পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তাই প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযানকে গণআন্দোলনে রূপান্তর করতে হবে।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

২০২৬-২০৩০ সময়ের জন্য বিশদ পরিকল্পনা

প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের আলোকে ডিএসসিসি ২০২৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে ৩ লাখ গাছ রোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে প্রতি বছর গড়ে ৬০ হাজার গাছ রোপণ করা হবে

লক্ষ্য অর্জনে কর্পোরেশন নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় একটি আধুনিক নার্সারি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া, বন বিভাগের সঙ্গে চুক্তির আওতায় ‘জিরো সয়েল’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে, যা সড়ক মধ্যদ্বীপ ও ট্রাফিক আইল্যান্ডে ঘাস ও গাছ দিয়ে আবৃত করতে সহায়তা করবে।

গণসচেতনতার ওপর জোর

আবদুস সালাম গণসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘নাগরিকরা সচেতন হলে সিটি কর্পোরেশনের ৫০ শতাংশ কাজ সহজ হয়ে যায়। বাকি ৫০ শতাংশ আমরা সম্পন্ন করব। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রধানমন্ত্রীর ‘সবুজ শহর, পরিচ্ছন্ন শহর’ স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধনের পাশাপাশি, ডিএসসিসি প্রশাসক এই অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিনামূল্যের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও চালু করেন।

এই উদ্যোগগুলো পরিবেশ সুরক্ষা ও যুব সমাজের দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। ডিএসসিসির এই পরিকল্পনা শহরের সবুজায়ন ও টেকসই উন্নয়নে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।