চৈত্রের খরতাপে জনজীবন বিপর্যস্ত, তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও ১৫ জেলায় তাপপ্রবাহ
১৫ জেলায় তাপপ্রবাহ, তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে

চৈত্রের খরতাপে জনজীবন বিপর্যস্ত, তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও ১৫ জেলায় তাপপ্রবাহ

চৈত্রের দাবদাহে সাধারণ মানুষ কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আজ শনিবার দেশের ১৫টি জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। গতকাল শুক্রবার এই সংখ্যা ছিল ২৭টি জেলা। তবে আশার কথা হলো, আজ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা গতকালের তুলনায় কিছুটা কমেছে। রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রাও হ্রাস পেয়েছে।

তাপপ্রবাহের বিস্তার ও তাপমাত্রার পরিবর্তন

আজ খুলনা বিভাগের সর্বত্রই তাপপ্রবাহ দেখা গেছে। এছাড়াও টাঙ্গাইল, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা ও পটুয়াখালী জেলায় তাপের দাপট ছিল। খুলনা বিভাগে মোট ১০টি জেলা রয়েছে, ফলে সব মিলিয়ে আজ ১৫টি জেলায় তাপপ্রবাহ বিরাজ করছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য মতে, আজ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়, যা ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল এই জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দক্ষিণ-পশ্চিমাংশের এই জেলায় টানা তিন দিন ধরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বিরাজ করছে, তবে গতকালের তুলনায় আজ তাপমাত্রা এক ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি কমে গেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাজধানীর অবস্থা ও বৃষ্টির পূর্বাভাস

আজ রাজধানী ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গতকালের ৩৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে কম। আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, আজ সিলেট বিভাগের কিছু এলাকা এবং শরীয়তপুরসহ অন্যান্য স্থানে বৃষ্টি হয়েছে। সিলেটে সর্বোচ্চ ৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

আগামীকাল রবিবার সিলেট, চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিকের মতে, সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হতে পারে, যা তাপমাত্রা আরও কমাতে সাহায্য করবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পরিস্থিতির সম্ভাব্য উন্নতি

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামীকাল পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে সোমবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা তাপপ্রবাহের তীব্রতা হ্রাস করতে পারে। সাধারণ মানুষ আশা করছেন, দ্রুত বৃষ্টিপাতের মাধ্যমে এই খরতাপ থেকে মুক্তি মিলবে।