প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জোরদার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জোরদার করার জন্য জোরালো নির্দেশ প্রদান করেছেন। এই নির্দেশনা আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে আসছে, যা দেশের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়ন ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকের বিস্তারিত
বুধবার (৪ মার্চ) সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভায় আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত সেলের কার্যক্রমের সর্বশেষ অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আরও ত্বরান্বিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
সভায় আলোচিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, সরকারি নার্সারির পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি নার্সারি থেকে চারা সংগ্রহ করা হবে। বৃক্ষরোপণের জন্য নির্ধারিত স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- খাসজমি ও চরাঞ্চল
- নদীর দুই পাড় এবং সড়ক-মহাসড়কের দুই পাশ
- বনাঞ্চলের বৃক্ষহীন এলাকা
- সরকারি প্রতিষ্ঠানের আঙ্গিনা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক স্থান
শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও পরিবেশ সুরক্ষা
এই কর্মসূচির একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতি শিক্ষার্থী একটি করে বৃক্ষরোপণ করবে এবং সেই গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে। এটি তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বন ও পরিবেশ মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তারসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তাদের উপস্থিতি এই কর্মসূচির প্রতি সরকারের অঙ্গীকার ও গুরুত্বকে প্রতিফলিত করে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগ দেশের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ব্যাপক অবদান রাখবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জোরদার করার মাধ্যমে সরকার একটি সবুজ ও স্বাস্থ্যকর বাংলাদেশ গড়ার দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাচ্ছে।



