পরিবহন খাতে সমঝোতায় টাকা তোলা নিয়ে মন্ত্রীর ব্যাখ্যা
নৌপরিবিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম স্পষ্ট করেছেন যে, পরিবহন খাতে মালিক ও শ্রমিকরা সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা তোলাকে চাঁদা হিসেবে আখ্যায়িত করা যায় না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, চাঁদা এবং চাঁদাবাজির মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নিরাপদ নৌযাত্রা নিশ্চিত করতে প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই বক্তব্য দেন।
মন্ত্রীর বিশদ ব্যাখ্যা
মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম উল্লেখ করেন, ‘আমি বোঝাতে চেয়েছি চাঁদা এবং চাঁদাবাজি—দুটি জিনিসের পার্থক্য আছে। চাঁদাটা কোনো কোনো সময় শ্রমিক এবং মালিকদের স্বার্থে তারা নির্ধারণ করে, তারাই নির্ধারণ করে মানে আমি বোঝাচ্ছি সমঝোতা করে তারা তাদের কল্যাণে কালেক্ট করে তাদের মতো করে ব্যয় করে। তাদের যে প্রক্রিয়া আছে সেটা তারা অনুসরণ করে।’ তিনি আরও যোগ করেন যে, চাঁদাবাজি বলতে বোঝায় যখন মানুষকে বাধ্য করে জোর করে টাকা নেওয়া হয়, যা অবৈধ শক্তির কাজ।
সমালোচনার প্রসঙ্গে মন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘পরিষ্কার আমি করেছি, বিভিন্ন জায়গায় বলেছি। কিন্তু সমস্যাটা হচ্ছে যে সমালোচনা তো অনেকে করতে পছন্দ করেন। যারা সমালোচনা করতে চান তাদের তো আর আপনি নিবৃত করতে পারবেন না।’ তিনি দৃঢ়ভাবে জানান, তার মন্ত্রণালয়ে চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ নেই এবং যেকোনো মূল্যে তা প্রতিরোধ করা হবে।
সভায় উপস্থিতি
এই প্রস্তুতিমূলক সভায় নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও মো. রাজিব আহসান উপস্থিত ছিলেন। তারা ঈদুল ফিতরে নিরাপদ নৌযাত্রা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন।
মন্ত্রীর এই বক্তব্য পরিবহন খাতের আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে চলমান বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যেখানে তিনি সমঝোতা ভিত্তিক সংগ্রহ এবং জোরপূর্বক চাঁদাবাজির মধ্যে সীমারেখা টেনেছেন।
