দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদকের কন্যা বেগম আখতারুন্নাহার বেবীর ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
বেগম আখতারুন্নাহার বেবীর ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদকের কন্যা বেগম আখতারুন্নাহার বেবীর ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার জ্যেষ্ঠ কন্যা এবং পত্রিকাটির সাবেক পরিচালক বেগম আখতারুন্নাহার বেবীর ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) পালিত হচ্ছে। ১৯৯২ সালের এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন, যার ফলে বাংলাদেশের সংবাদপত্র জগতে একটি উজ্জ্বল নক্ষত্রের পতন ঘটে।

সাংবাদিকতায় অনন্য অবদান

বেগম আখতারুন্নাহার বেবী শুধুমাত্র দৈনিক ইত্তেফাকের ‘মহিলা অঙ্গন’ পাতার সম্পাদিকা হিসেবেই নয়, বরং সংবাদপত্র ব্যবস্থাপনা ও সাংবাদিকতায় তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি বাংলাদেশের সংবাদপত্র শিল্পে নারী সাংবাদিকদের পথচলা ও ব্যবস্থাপনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, যা আজও শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়। তার কর্মজীবন নারী ক্ষমতায়নের একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়, বিশেষ করে একটি পুরুষ-প্রধান পেশায় তার সফলতা উল্লেখযোগ্য।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন

এই মহীয়সী নারীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। রাজধানীর পশ্চিম ধানমন্ডির মধুবাজার এলাকায়, পুরাতন ১৯ নম্বর রোড (বর্তমান ২৫০ নম্বর রোড) অবস্থিত মরহুমার নিজ বাসভবনে বাদ এশা এই মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বেগম আখতারুন্নাহার বেবীর সন্তানরা এই মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে মরহুমার আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও গুণগ্রাহীদের উপস্থিত থাকার জন্য বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন। এই অনুষ্ঠানটি তার জীবন ও কর্মকে স্মরণ করার একটি সুযোগ প্রদান করবে, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা তার অবদান নিয়ে আলোচনা করতে পারবেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও উত্তরাধিকার

বেগম আখতারুন্নাহার বেবীর পিতা তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া বাংলাদেশের সাংবাদিকতা জগতের একজন কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত, যিনি দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিষ্ঠা করে দেশে মুক্ত সাংবাদিকতার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। তার কন্যা হিসেবে বেগম আখতারুন্নাহার বেবী এই ঐতিহ্যকে বহন করে এগিয়ে নিয়ে গেছেন, নারী সাংবাদিকতাকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন।

তার মৃত্যুবার্ষিকী পালন শুধুমাত্র একটি ব্যক্তিগত স্মরণ অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি বাংলাদেশের সংবাদপত্র ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে পুনরুজ্জীবিত করে। আজকের দিনে তার স্মৃতি তাজা করে তোলা হচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে।