ঢাকার সাভারে রানা প্লাজা ধসে নিহত ও আহত শ্রমিকদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছেন আহত শ্রমিক, নিহতদের পরিবার এবং বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। শুক্রবার সকালে দুর্ঘটনাস্থলে নির্মিত অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়া হয়।
শ্রদ্ধাঞ্জলি ও প্রতিবাদ মিছিল
এর আগে বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের নেতা-কর্মীরা একটি মিছিল বের করে। মিছিল থেকে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিহত ও আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ ও চিকিৎসার দাবি জানানো হয়। পরে তারা স্মৃতিসৌধে ফুল দেন।
শ্রমিক সংগঠনের পাশাপাশি শিল্প পুলিশও শ্রদ্ধা জানায়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা তাদের দীর্ঘদিনের দাবিগুলো পুনর্ব্যক্ত করেন।
ক্ষতিপূরণ ও বিচারের দাবি
বাংলাদেশ গার্মেন্ট অ্যান্ড সোয়েটার্স ওয়ার্কার্স ট্রেড ইউনিয়ন সেন্টারের আইন সম্পাদক খায়রুল মামুন মিন্টু বলেন, নিহত ও আহতদের ক্ষতিপূরণ এখনও নিশ্চিত করা হয়নি। অনেক আহত শ্রমিক এখনও চিকিৎসা পেতে হিমশিম খাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন ১২১ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে এবং দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
বিপ্লবী গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সভাপতি অরবিন্দ ব্যাপারী বিন্দু বলেন, ১৩ বছর পরেও বিচার মেলেনি। সাবেক সরকার বিচারের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা পূরণ করেনি বলে তিনি অভিযোগ করেন। বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের কাছে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি পূরণের আহ্বান জানান তিনি।
রানা প্লাজা ধস
২০১৩ সালের এই দিনে সাভার বাসস্ট্যান্ডের কাছে রানা প্লাজা ভবন ধসে ১ হাজার ১৩৮ জন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হন।



