লিওনেল মেসির ক্রীড়া নৈপুণ্য বিশ্বকাপে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। তিনি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং সপ্তম বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ডও করেছেন। তাঁর বয়স ও এই শেষ বিশ্বকাপ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে তিনি এত দিন ধরে এত উচ্চ পর্যায়ের পারফরম্যান্স ধরে রাখছেন? উত্তরটি সহজ: ঐতিহ্যবাহী ঘরের খাবারই তাঁর জ্বালানি।
মেসির প্রিয় খাবার
মেসি খাবারের ক্ষেত্রে সাধারণ ও সহজ পছন্দের মানুষ। তাঁর প্রিয় খাবারগুলো আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী রান্নার অংশ। নিচে তাঁর ১০টি প্রিয় খাবার ও পানীয়ের তালিকা দেওয়া হলো:
- মিলানেসা ও মিলানেসা নাপোলিতানা: পাতলা করে কাটা গরু বা মুরগির মাংস ব্রেডক্রাম্বে মুড়ে ভাজা, তার ওপর টমেটো সস, হ্যাম ও গলানো মোজ্জারেলা চিজ দেওয়া। এটি মেসির সবচেয়ে প্রিয় খাবার।
- অ্যাসাডো: আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী বারবিকিউ, যেখানে গরু, শুয়োর বা মুরগির মাংস ধীরে আগুনে সেঁকা হয়।
- এম্পানাডাস: মাংস, পনির বা সবজি ভরা পেস্ট্রি।
- লোকরো: ভুট্টা, মাংস ও সবজি দিয়ে তৈরি ঘন স্যুপ।
- মেট: একটি ভেষজ চা, যা মেসি প্রায়ই পান করেন।
- পাস্তা: মেসি পাস্তা পছন্দ করেন, বিশেষ করে টমেটো সস ও পনির দিয়ে।
- পিৎজা: সাধারণ মোজ্জারেলা পিৎজা তার আরেকটি প্রিয়।
- আইসক্রিম: মেসি ডেজার্ট হিসেবে আইসক্রিম পছন্দ করেন।
- ফল: তাজা ফল, বিশেষ করে আপেল ও কমলা।
- পানি: পর্যাপ্ত পানি পান করেন তিনি।
পারফরম্যান্সের পেছনে খাবারের ভূমিকা
মেসির ডায়েটে প্রক্রিয়াজাত খাবার কম এবং প্রাকৃতিক উপাদান বেশি। তাঁর পারফরম্যান্সের পেছনে এই সহজ ও পুষ্টিকর খাবারই মূল ভূমিকা রাখে। আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলি তাকে শক্তি ও সহনশীলতা দেয়।



