চট্টগ্রাম নগরী ও রাউজান উপজেলায় শুক্রবার পৃথক সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে চার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
রাউজানের ঘটনা
রাউজানের নোয়াপাড়া ইউনিয়নের চৌধুরীহাট এলাকার ঝিকুটি পাড়ায় রতন ডাক্তার নামে এক ব্যক্তির নির্মাণাধীন বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে প্রবেশ করে দুজন নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন নোয়াপাড়া ইউনিয়নের কোচুখাইন এলাকার প্রদীপ দাস ও বোয়ালখালী উপজেলার কধুরখিল এলাকার সমীরণ দাস।
স্থানীয়রা জানান, দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে প্রদীপ সেপটিক ট্যাংকে প্রবেশ করেন এবং ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হন। তাকে উদ্ধারে সমীরণও ট্যাংকে নামলে তিনিও বিষাক্ত গ্যাসে অচেতন হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নির্মাণশ্রমিকরা সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে কাজ করতে গিয়ে মারা যান।
চট্টগ্রাম নগরীর ঘটনা
অপর ঘটনায় চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং থানাধীন ধনিয়ালাপাড়া এলাকায় দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে সেপটিক ট্যাংকে প্রবেশ করে দুজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন নোয়াখালী জেলার বাসিন্দা সাকিব (২৫) ও হৃদয় (২৪)।
ডবলমুরিং থানার ওসি শাহিনুর আলম জানান, নুরুল হুদা নামে এক ব্যক্তির বিল্ডিংয়ের সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে নামেন শ্রমিকরা। ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসে তারা অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানায়, উভয় ঘটনায় মৃত্যুর প্রধান কারণ সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাস। আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।



