দাদি-নানির গল্প নিয়ে প্রকাশিত ‘স্টোরিজ মাই গ্র্যান্ডমা’
দাদি-নানির গল্প নিয়ে ‘স্টোরিজ মাই গ্র্যান্ডমা’ প্রকাশ

নানি-দাদীদের মুখে বলা গল্পগুলো নিয়ে বিভিন্ন আড্ডায় আলাপ তো অনেকেরই হয়েছে। কিন্তু, সেই গল্পগুলো সীমাবদ্ধ ছিল সেই আড্ডার মধ্যেই। সেই গল্পগুলো নিয়ে বই প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে ‘দ্য রিডিং সার্কেল (টিআরসি)’, প্রকাশিত হয়েছে ‘স্টোরিজ মাই গ্র্যান্ডমা (নেভার টোল্ড মি)’ গল্প সংকলন। গল্পগুলো লিখেছেন এই সার্কেলের সদস্যরা।

মোড়ক উন্মোচন

শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্টুরেন্টে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন দ্য রিডিং সার্কেলের সদস্যরা। বইটিতে গল্প আছে ১২টি। বইটি সম্পাদনা করেছেন ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানা খান। গল্পগুলো লিখেছেন টিআরসির প্রতিষ্ঠাতা নিয়াজ জামান, নাওয়ার ফাইরুজ, তানভির হক, ক্রিস্টিন নিকোলা ম্যারি পল, রাযা আলী, মারিয়াম ইস্পাহানি, সউদা আখতার, আমিনা আহমেদ, ফারহানা সেহাব উদ্দিন, লামিয়া সুলতানা কাঁকন, আসিফুর রহমান এবং রাজিয়া সুলতানা খান।

বইয়ের বিবরণ

বইটির মুখবন্ধ লিখেছেন সরকার হাসান আল জায়েদ, প্রচ্ছদ তৈরি করেছেন আনিসুজ্জামান সোহেল। বইটি প্রকাশিত হয়েছে নিম্ফিয়া পাবলিকেশন থেকে। বইটি প্রসঙ্গে লেখকরা জানান, এই বইটি পরিবারগুলোতে লুকিয়ে থাকা গল্পগুলোর প্রতি মুগ্ধতা থেকে লেখা হয়েছে। এর ভেতরে অনেক গোপন রহস্যগুলো যত্ন সহকারে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। অনেক অজানা কথা নানী-দাদীদের মাধ্যমে বেরিয়ে এসেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

লেখকের বক্তব্য

বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে রাজিয়া সুলতানা খান বলেন, “আমাদের সংস্কৃতি জুড়ে, দাদী এবং বয়স্ক নারীরা এই জাতীয় গল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংরক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন। এই মৌখিক ঐতিহ্যগুলো কথোপকথন, স্মৃতি এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে নারীদের জায়গাগুলোতে ভাগ করে নেওয়া হয়েছিল। এই কথাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ বলেনি। তবে উপদেশ, ঘুমপাড়ানি গান এবং প্রতিদিনের উপাখ্যানে গল্পগুলো বোনা হয়েছিল।”

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি আরও বলেন, “এই সংকলনের ধারণাটি টিআরসি রিডিং সার্কেলের আলোচনা থেকে শুরু হয়েছিল। সভার সময়, আমরা প্রায়শই এমন গল্পগুলো শেয়ার করেছিলাম যা আমাদের দাদী-নানি বা মা বলেছিলেন। এই কথোপকথনগুলো ধীরে ধীরে একটি সংগ্রহে একত্রিত করার ধারণাটি জাগিয়ে তুলেছিল। এটি এমন একটি ধারণা যা বেশ কয়েক বছর আগে প্রথম কল্পনা করা হয়েছিল। করোনা মহামারির কারণে এই উদ্যোগ ঝিমিয়ে পড়ে। গত বছরের গোড়ার দিকে আমি সেই ধারণাটি পুনরুজ্জীবিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমি ভেবেছিলাম পরিবারগুলোতে যে লুকিয়ে থাকা রহস্য থাকে তা অন্বেষণ করা, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছ থেকে তা আকর্ষণীয় হবে।”