মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ট্রাভেল এজেন্সি ও যাত্রীদের জন্য নতুন নির্দেশনা
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ট্রাভেল এজেন্সি এবং আকাশপথের যাত্রীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। সোমবার, ২ মার্চ তারিখে মন্ত্রণালয়ের পর্যটন-৩ শাখার উপসচিব মির্জা মুরাদ হাসান বেগ স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশের মাধ্যমে এই নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়েছে।
ফ্লাইট সূচি পরিবর্তনের সম্ভাবনা ও যাত্রীসেবা নিশ্চিতকরণ
নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে ফ্লাইট সূচি পরিবর্তন, বিলম্ব বা এমনকি বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই অনিশ্চিত অবস্থায় যাত্রীদের সেবা নিশ্চিত করতে এবং একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে ট্রাভেল এজেন্সি ও আকাশপথের যাত্রীদের জন্য এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর জন্য বিশেষ নির্দেশনা
ট্রাভেল এজেন্সিগুলোকে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রেখে যাত্রীদের সঠিক ও হালনাগাদ তথ্য সরবরাহ করতে হবে। যাত্রীদের মধ্যে বিভ্রান্তি এড়াতে যাচাইকৃত তথ্য ছাড়া কোনো ধরনের তথ্য প্রচার করা যাবে না। এছাড়াও, রি-ইস্যু, রিভ্যালিডেশন এবং রিফান্ড সংক্রান্ত বিষয়ে দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।
মানবিক দৃষ্টিকোণ ও জরুরি সহায়তা
নির্দেশনায় বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ট্রাভেল এজেন্সিগুলোকে অতিরিক্ত চার্জ আরোপ না করে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে যাত্রীদের সহযোগিতা করতে হবে। প্রয়োজনে ২৪/৭ জরুরি যোগাযোগ নম্বর চালু রাখতে হবে এবং দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখতে হবে।
যাত্রীদের প্রতি আহ্বান ও করণীয়
যাত্রীদের প্রতি নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে যে, তাদের ধৈর্য ধরতে হবে এবং যাচাইকৃত তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ভ্রমণ সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য জানতে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন বা ট্রাভেল এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে। ভিসা বা আকামা সংক্রান্ত কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে।
এই পদক্ষেপটি মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বাংলাদেশি যাত্রীদের সুরক্ষা ও সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য একটি প্রয়োজনীয় উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
