১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে হজ ফ্লাইট, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান করবেন আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
১৮ এপ্রিল হজ ফ্লাইট শুরু, প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন

১৮ এপ্রিল থেকে হজ ফ্লাইট শুরু: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান করবেন আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

সৌদি সরকার ঘোষিত হজ ব্যবস্থাপনার রোডম্যাপ অনুসারে আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশ থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হতে যাচ্ছে। ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রথমদিন মোট ১৪টি ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে, যা হজযাত্রীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রথম ফ্লাইটের সময়সূচি ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

প্রথম হজ ফ্লাইটটি ১৮ এপ্রিল রাত ১২টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যাবে। এর আগে, ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একই বিমানবন্দরে হজ ফ্লাইটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন, যা একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হবে। এই উদ্বোধনী ফ্লাইটটি ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে সৌদি আরবের জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে।

ফ্লাইট পরিচালনাকারী এয়ারলাইনস ও সংখ্যা

প্রথমদিনের ১৪টি ফ্লাইটের মধ্যে ছয়টি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, চারটি সৌদি আরবের সাউদিয়া এয়ারলাইনস এবং চারটি ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস পরিচালনা করবে। এটি বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিমান যোগাযোগের একটি উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ প্রতিফলিত করে, যা হজযাত্রীদের জন্য আরও সুবিধা নিশ্চিত করবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

২০২৬ সালের হজযাত্রীর সংখ্যা ও ফ্লাইট পরিকল্পনা

২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৭৮ হাজার ৫০০ জন পবিত্র হজ পালন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এর মধ্যে সরকারি মাধ্যমে ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং এজেন্সির মাধ্যমে ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী অংশগ্রহণ করবেন। প্রি-হজ ফ্লাইট ২১ মে শেষ হবে, মোট ২০৭টি ফ্লাইটের মাধ্যমে, যার মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১০২টি, সাউদিয়া ৭৫টি এবং ফ্লাইনাস ৩০টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হজের তারিখ ও ফিরতি ফ্লাইটের সময়সূচি

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়ে ১ জুলাই শেষ হবে, যা হজযাত্রীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করবে। এই পরিকল্পনা বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে।