সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পটুয়াখালীর দুমকিতে ঈদুল ফিতর উদযাপন
সৌদির সঙ্গে মিল রেখে দুমকিতে ঈদ উদযাপন

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পটুয়াখালীর দুমকিতে ঈদুল ফিতর উদযাপন

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় সৌদি আরবের সময়ের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়েছে। প্রতিবারের মতো এবারো একটি গ্রামে এই ঐতিহ্যবাহী উদযাপন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

ঈদের নামাজের সময় ও স্থান

শুক্রবার সকাল ৮টায় উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে তালুকদার বাড়ি বাইতুল ফালাহ জামে মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা মনিরুল ইসলাম, যিনি স্থানীয়ভাবে ধর্মীয় নেতা হিসেবে পরিচিত।

আয়োজকদের বক্তব্য

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সৌদি আরবের সময়ের সঙ্গে মিল রেখে কয়েক বছর ধরে তারা ঈদের নামাজ আয়োজন করে আসছেন। এবারো প্রায় ১০০ জন মুসল্লি এই জামাতে অংশ নিয়ে ধর্মীয় আনন্দ ভাগাভাগি করেন। আয়োজক কমিটির জালাল আহমেদ তালুকদার বলেন, "ওআইসিসহ বিশ্বের বেশিরভাগ মুসলিম দেশ আজ ঈদ উদযাপন করছে। আমরাও একই পথ অনুসরণ করছি, যা আমাদের বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ রাখে।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয় মুসল্লির অভিজ্ঞতা

স্থানীয় মুসল্লি সাব্বির আহমেদ বলেন, "গত ৩৫ বছর ধরে আমরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করে আসছি। এটি আমাদের পরিবারের একটি দীর্ঘস্থায়ী ঐতিহ্য, যা ধর্মীয় ভ্রাতৃত্ববোধকে শক্তিশালী করে।" এই দীর্ঘমেয়াদী প্রথা স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর সংযোগ তৈরি করেছে।

বিশেষ মোনাজাত ও কল্যাণ কামনা

নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এই প্রার্থনা অনুষ্ঠানটি স্থানীয়দের মধ্যে একতা ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেয়, যা ঈদের প্রকৃত চেতনাকে প্রতিফলিত করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দুমকির এই উদযাপন শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুষ্ঠানই নয়, বরং এটি আন্তর্জাতিক মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে বাংলাদেশের সংযোগের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। স্থানীয়রা আশা করেন, ভবিষ্যতেও তারা এই ঐতিহ্য বজায় রাখবেন এবং বিশ্বব্যাপী মুসলিম ঐক্যকে শক্তিশালী করবেন।