পটুয়াখালীতে বৈশ্বিক চাঁদ দেখার ভিত্তিতে ২৫ স্থানে ঈদুল ফিতর উদযাপন
পটুয়াখালীতে বৈশ্বিক চাঁদ দেখায় ২৫ স্থানে ঈদ

পটুয়াখালীতে বৈশ্বিক চাঁদ দেখার ভিত্তিতে ২৫ স্থানে ঈদুল ফিতর উদযাপন

পটুয়াখালী জেলায় বৈশ্বিকভাবে চাঁদ দেখার সংবাদ নিশ্চিত করে মধ্যপ্রাচ্যের আরবি তারিখের সঙ্গে মিল রেখে অন্তত ২৫টি স্থানে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়েছে। শুক্রবার (২০ মার্চ ২০২৬) সকালে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় এ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়, যা স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

ঈদের নামাজ ও আনন্দ উদযাপন

পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর দরবার শরীফসহ বিভিন্ন এলাকায় সকালেই ঈদের নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা। বদরপুর দরবার শরীফ জামে মসজিদে ঈদের জামাতে ইমামতি করেন খতিব মাওলানা মো. শফিকুল ইসলাম আব্দুল গনি। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন এবং আনন্দ ভাগাভাগি করতে মিষ্টি ও পায়েস বিতরণ করা হয়, যা উৎসবের আমেজকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

১৯২৮ সাল থেকে চলমান ঐতিহ্য

বদরপুর দাওয়াতুল ইসলাম কর্তৃপক্ষ জানায়, ১৯২৮ সাল থেকে এ অঞ্চলের কিছু গ্রামবাসী পৃথিবীর যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন। তাদের বিশ্বাস, সমগ্র মুসলিম উম্মাহ এক চাঁদ দেখে এক তারিখে নিজ নিজ এলাকার সময় অনুযায়ী রোজা, ঈদ ও কুরবানিসহ সব ধর্মীয় কার্যক্রম পালন করা উচিত। এই দীর্ঘস্থায়ী ঐতিহ্য স্থানীয় ধর্মীয় সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঈদ উদযাপনের বিস্তৃত এলাকা

এ বছর পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন উপজেলার অন্তত ২৫টি স্থানে মানুষ এ ঈদ উদযাপনে অংশ নেন। উদযাপনের স্থানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ও ছোট বিঘাই
  • গলাচিপা উপজেলার সেনের হাওলা, পশুরীবুনিয়া, নিজ হাওলা ও কানকুনিপাড়া
  • বাউফল উপজেলার মদনপুরা, শাপলাখালী, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, সুরদী, সাবুপুরা ও আমিরাবাদ
  • কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া, নিশানবাড়িয়া, মরিচবুনিয়া, উত্তর লালুয়া, মাঝিবাড়ি, টিয়াখালী, ইটবাড়িয়া, পৌর শহরের নাইয়াপট্টি, বাদুড়তলি, মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের সাফাখালী, গলাচিপার ছোটবাইশদিয়া ও রাঙ্গাবালী কাটাখালী

এই বিস্তৃত অংশগ্রহণ স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য ও ধর্মীয় ভ্রাতৃত্ববোধকে শক্তিশালী করেছে, যা ঈদুল ফিতরের মূল বার্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।