ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের ঘোষণা: জনগণের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করব
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, তিনি জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আস্থা ও বিশ্বাস রক্ষার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবেন বলে তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেছেন।
সচিবালয়ে খ্রিস্টান নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়
আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে সচিবালয়ে খ্রিস্টান ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে এক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পরে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুবকর সিদ্দীক স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য রক্ষার অঙ্গীকার
'ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার' এই নীতির উল্লেখ করে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ বলেন, 'আমাদের দেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আবহমানকাল থেকে এখানে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে আসছেন। আমরা এই সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্যকে আরো নিবিড় ও অটুট করতে চাই। সবার ধর্মচর্চার স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'
হাদীসের আলোকে নিরাপত্তা বিধানের প্রতিশ্রুতি
তিনি আরো যোগ করেন, রাসুল (সা.)-এর একটি হাদীস অনুসরণ করে সরকার সব মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে সম্ভাব্য সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করবে। 'অমুসলিমদের জানমাল ও ইজ্জত তোমাদের কাছে আমানত, আর যে আমানতের খেয়ানত করলো সে তো মুসলমানই থাকলো না'—এই হাদীসের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা জানান।
উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ
ফেডারেশন অব প্রোটেস্টান্ট চার্চেস ইন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান বিশপ ফিলিপ পি অধিকারীর নেতৃত্বে এই অনুষ্ঠানে অন্যান্য খ্রিস্টান নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের সঙ্গে আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি আরো সুদৃঢ় করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের এই বক্তব্য দেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক সৌহার্দ্য রক্ষায় সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন হিসেবে দেখা যাচ্ছে। তার ঘোষণায় জনগণের সেবায় নিবেদিত থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ফুটে উঠেছে, যা জাতীয় ঐক্য ও উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
