নারী দিবসে আসছে বিশেষ গান ‘নারী যায় বাড়ি’, কণ্ঠ দিলেন তিন শিল্পী
নারী দিবসে আসছে গান ‘নারী যায় বাড়ি’, কণ্ঠে তিন শিল্পী

নারী দিবসে আসছে বিশেষ গান ‘নারী যায় বাড়ি’

সম্প্রতি তৈরি হয়েছে নারীদের কথা ভেবে বিশেষ একটি গান, যার শিরোনাম ‘নারী যায় বাড়ি’। এই গানটি আগামী ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে প্রকাশ করবে আজব রেকর্ডস। গানটির কথা লিখেছেন খ্যাতিমান গীতিকার শহীদ মাহমুদ জঙ্গী, আর সুর দিয়েছেন সুরকার পিলু খান। এ প্রজন্মের তিন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সোমনুর মনির কোনাল, অন্তরা রহমান ও মাশা ইসলাম একত্রে গানটি গেয়েছেন, যা সংগীতপ্রেমীদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।

গানের পেছনের গল্প ও শিল্পীদের প্রতিক্রিয়া

গানটি প্রসঙ্গে শহীদ মাহমুদ জঙ্গী বলেন, ‘নারীরা আজীবন তাদের নিজের ঘর খুঁজে বেড়ায়। কখনও বাবার ঘর, কখনও স্বামীর ঘর, কখনও পুত্রের ঘর। তার নিজের ঘর কি সে কখনও খুঁজে পায়? চিরন্তন এই প্রশ্ন নিয়ে গান এটি।’ তাঁর কথায়, এই গান নারীর আত্মপরিচয় ও স্বাধীনতার অনুসন্ধানকে প্রতিফলিত করে। সুরকার পিলু খান জানান, ‘জঙ্গী ভাইয়ের সাথে গত চার দশকে নানা বিষয়ভিত্তিক গান করেছি। এবার সেখানে আরেকটি বিষয় যুক্ত হলো। আশা করি শ্রোতাদের ভালো লাগবে এ গান।’ তাঁর মতে, এই সহযোগিতা দীর্ঘদিনের এবং তা নতুন মাত্রা পেয়েছে।

কণ্ঠশিল্পী সোমনুর মনির কোনাল বলেন, ‘কিংবদন্তি দুইজন মানুষের গান করতে পেরে আমি আনন্দিত। জঙ্গী ভাই ও পিলু ভাইয়ের সাথে কাজ করতে পারা আমার সংগীত জীবনে অর্জন।’ তাঁর এই মন্তব্য গানটির গুরুত্ব ও মানকে তুলে ধরে। অন্য দুই শিল্পী অন্তরা রহমান ও মাশা ইসলামও গানটিতে অংশ নিয়ে গর্বিত বলে জানিয়েছেন।

প্রকাশ ও প্রযুক্তিগত দিক

গানটির সংগীতায়োজন করেছেন মীর মাসুম, যা শ্রোতাদের জন্য একটি সমৃদ্ধ শোনার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। এছাড়া, গানটির জন্য একটি অ্যানিমেশন ভিডিও নির্মাণ করছেন মীর হিশাম ও সারাফ চিশতী, যা দর্শকদের কাছে গানের বার্তাকে আরও শক্তিশালীভাবে উপস্থাপন করবে। ভিডিওটি প্রকাশ পাবে আজব রেকর্ডসের ইউটিউব চ্যানেলসহ সংশ্লিষ্ট শিল্পীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে, যেখানে দর্শকরা সহজেই এটি দেখতে পারবেন।

‘নারী যায় বাড়ি’ গানটি ৮ মার্চ থেকে সারাবিশ্বের সব অডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে শোনা যাবে, যা আন্তর্জাতিক শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দেবে এই বিশেষ বার্তা। এই উদ্যোগ নারী দিবসের তাৎপর্যকে আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে। গানটি নারী অধিকার ও সমতা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে, যা বর্তমান সমাজে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।