৩৭তম জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব শুরু
৩৭তম জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব শুরু

‘রথের চাকার রবে জাগাও জাগাও সবে, আপনার ঘরে এসো বলভরে, এসো এসো গৌরবে’—এই স্লোগানে রাজধানীর আগারগাঁওস্থ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে আজ থেকে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ‘সপ্তত্রিংশ (৩৭তম) জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ‘বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থা’ এই উৎসবের আয়োজন করেছে।

উৎসর্গ ও স্মরণ

এবারের উৎসবটি উৎসর্গ করা হয়েছে সদ্যপ্রয়াত কিংবদন্তি শিল্পী আশা ভোঁসলে, প্রবীণ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী শাহজাহান হাফিজ এবং স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা ডালিয়া নওশীনের স্মৃতির উদ্দেশে। শুক্রবার সকাল ১০টায় প্রাতঃকালীন অধিবেশনের মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংস্থার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খন্দকার খায়রুজ্জামান কাইয়ূম এবং সাধারণ সম্পাদক পীযূষ বড়ুয়া।

বক্তারা বলেন, ‘রবীন্দ্রচেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করেই এই দীর্ঘ পথচলা। একই দিনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কলিম শরাফীর জন্মদিন আজকের দিনটিকে বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে।’ সভার শুরুতে সদ্যপ্রয়াত কিংবদন্তি শিল্পী আশা ভোঁসলে, শিল্পী শাহজাহান হাফিজ ও শিল্পী ডালিয়া নওশিনের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রথম পর্বের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

উৎসবের প্রথম পর্বের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ছিল সম্মিলিত ও একক পরিবেশনা। যৌথভাবে ‘সংগীতাঞ্জলি পরিবার’ এবং ‘বুলবুল একাডেমি অব ফাইন আর্টস উত্তর’, ‘বিশ্ববীণা’র শিল্পীরা রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন করেন। একক পর্বে সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পী মুক্তি নন্দী (‘আমি তোমারও সঙ্গে’), কবিতা কর্মকার (‘না চাহিলে যারে’), জাফর সাদিক (‘অনেক কথা যাওনি বলে’), পূরবী আলামিন (‘সুখে আমায় রাখবে কেন’), তিথি মজুমদার (‘আমার মুক্তি আলোয় আলোয়’) এবং সামিনা খানম (‘ওই শুনি যেন চরণধ্বনি রে’)। এছাড়াও আরও অনেক শিল্পী তাঁদের কণ্ঠমাধুর্য দিয়ে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বাদ্যযন্ত্রে ছিলেন—গিটারে নাসির উদ্দিন, কিবোর্ডে রবিনস, তবলায় মৃদুল পাড়িয়াল ও মন্দিরায় নাজমুল আলম।

আগামী অনুষ্ঠানসূচি

আজ বিকেল ৪টায় উৎসবের দ্বিতীয় অধিবেশন তথা আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট কথাশিল্পী অধ্যাপক আনোয়ারা সৈয়দ হক। অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শব্দসৈনিক শিল্পী তিমির নন্দীকে ‘কলিম শরাফী’ পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হবে। সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে আবৃত্তি ও সঙ্গীতানুষ্ঠান।