দেশে ভরতনাট্যম চর্চায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি পেলেন তিন নৃত্যগুরু। নৃত্যাঞ্চলের রজতজয়ন্তী উদযাপনের অংশ হিসেবে আয়োজিত ‘ভরতনাট্যম সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠানে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ‘নৃত্যাঞ্চল সম্মাননা ২০২৬’।
নৃত্যাঞ্চলের রজতজয়ন্তী উদযাপন
চলছে দেশের নৃত্যজগতের দুই পুরোধা শিবলী মোহাম্মদ ও শামীম আরা নীপার প্রতিষ্ঠান নৃত্যাঞ্চলের বছরব্যাপী রজতজয়ন্তী উদযাপন। সেই অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে শনিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় শাস্ত্রীয় নৃত্যের বিশেষ আয়োজন ‘ভরতনাট্যম সন্ধ্যা’। নৃত্যাঞ্চলের ৩০০ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এ আয়োজন শুরু হয় পুষ্পাঞ্জলি পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।
সম্মাননা প্রাপ্ত তিন নৃত্যগুরু
এরপর বাংলাদেশে ভরতনাট্যম নৃত্যে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনজন বিশিষ্ট নৃত্যগুরু বেলায়েত হোসেন খান, আনিসুল ইসলাম হিরু ও ড. সোমা মুমতাজকে প্রদান করা হয় ‘নৃত্যাঞ্চল সম্মাননা ২০২৬’।
ভরতনাট্যমের ধারাবাহিক পরিবেশনা
মূল আয়োজনে ভরতনাট্যম নৃত্যের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপ উপস্থাপন করা হয়। পুষ্পাঞ্জলি থেকে তিল্লানা ও মঙ্গলাম—ধারাবাহিক এসব পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানের নৃত্য পরিচালনা করেন তরুণ মেধাবী ভরতনাট্যম শিল্পী ও নৃত্যাঞ্চলের শিক্ষক গোলাম মোস্তফা ববি। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বাংলাদেশের কিংবদন্তি নৃত্যশিল্পী ও নৃত্যপরিচালক শামীম আরা নীপা এবং শিবলী মোহাম্মদ। তারা জানান, রজতজয়ন্তী উদযাপনের সমাপনী আয়োজন হিসেবে শিশুদের ছড়াগানভিত্তিক নৃত্য প্রযোজনা ‘ছড়াছন্দে নৃত্যমালা’ আগামী আগস্টে মঞ্চস্থ হবে।
নৃত্যাঞ্চলের প্রত্যাশা
নৃত্যাঞ্চল সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, শুদ্ধ নৃত্যচর্চার মাধ্যমে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে রুচি, সৃজনশীলতা ও শিল্পবোধের বিকাশ ঘটবে এবং এর মধ্য দিয়েই গড়ে উঠবে একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ।



