কালুরঘাট বেতারকেন্দ্রে সংস্কৃতি মন্ত্রীর বক্তব্য: মেজর জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণার ঐতিহাসিক তাৎপর্য
কালুরঘাটে সংস্কৃতি মন্ত্রী: জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণার গুরুত্ব

কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র পরিদর্শনে সংস্কৃতি মন্ত্রীর ঐতিহাসিক বক্তব্য

সংস্কৃতি মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র পরিদর্শনকালে একটি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নেতৃত্বের শূন্যতা দেখা দিয়েছিল, যখন পাকিস্তানি বাহিনী সারাদেশে আক্রমণ চালায়। এই সংকটময় মুহূর্তে মানুষের মনে হতাশা নেমে এসেছিল এবং প্রশ্ন জাগে—কে দেশের নেতৃত্ব দেবে?

মেজর জিয়ার বিদ্রোহ ও স্বাধীনতা ঘোষণা

মন্ত্রী বলেন, ঠিক সেই সময়ে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমান ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট থেকে বিদ্রোহ করে বেরিয়ে এসে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থানকালে নিজ কানে শুনেছিলেন মেজর জিয়ার সেই ঐতিহাসিক ঘোষণা: 'আমি মেজর জিয়া বলছি, আমি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করছি।' এই ঘোষণার সাথে সাথে সমগ্র দেশবাসীর মধ্যে নতুন জীবন ও সংগ্রামের উদ্দীপনা জেগে উঠে।

স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা ও জনযুদ্ধের রূপ

নিতাই রায় চৌধুরী আরও বলেন, এই ঘোষণার পর বাংলাদেশে প্রকৃত স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়, যা ছিল একটি জনযুদ্ধ। দেশের সমস্ত মানুষ—শ্রমিক, কৃষক, মেহনতি মানুষ, ছাত্র ও যুবক—সকলের অংশগ্রহণে এই যুদ্ধ বৃহত্তর রূপ নেয় এবং বিজয় অর্জনের স্বপ্ন দেখতে থাকে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণাই ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়, কারণ এটি নির্ধারণ করেছিল কে নেতৃত্ব দেবে এবং কীভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভূমিকা

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বেই স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল, এবং সে জন্যই আজকে কালুরঘাটের মতো স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। তার বক্তব্যে তিনি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অসীম আত্মত্যাগ ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দেন।