অভিনেত্রী তিশার মারধরের অভিযোগ: চরিত্রের প্রয়োজনে আক্রমণ, দাবি তার
তিশার মারধরের অভিযোগ: চরিত্রের প্রয়োজনে আক্রমণ

অভিনেত্রী তিশার মারধরের অভিযোগ: চরিত্রের প্রয়োজনে আক্রমণ, দাবি তার

অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সহশিল্পী সামিয়া অথৈর মারধরের অভিযোগে এবার মুখ খুলেছেন তিশা। তিনি দাবি করেন, এই ঘটনা কোনো ব্যক্তিগত আক্রমণ ছিল না, বরং এটি সম্পূর্ণভাবে চরিত্রের প্রয়োজন এবং গল্পের চাহিদা অনুযায়ী সংঘটিত হয়েছে। সামিয়া অথৈর অভিযোগকে তিনি 'ভুল বোঝাবুঝি' এবং 'অপেশাদার আচরণ' হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

চরিত্রের প্রয়োজনে আক্রমণাত্মক আচরণ

তানজিন তিশা জানান, মূলত চরিত্রের প্রয়োজনে এবং স্ক্রিপ্টের খাতিরেই তাকে আক্রমণাত্মক হতে হয়েছিল। তিনি বলেন, 'আমি পুরোপুরি আমার চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলছিলাম। আমি এমন একটি চরিত্র করছি যেখানে আমি একজন স্পেশাল চাইল্ড বা অটিস্টিক। চরিত্রের প্রয়োজনে তাকে মানুষকে মারতে হতে পারে, কামড় দিতে হতে পারে এমনকি পানিতে চুবিয়েও ধরতে হতে পারে।' তিনি আরও যোগ করেন, 'আপনারা ১৫ থেকে ২০ দিন পরই কাজটি দেখতে পারবেন এবং তখন বুঝতে পারবেন কোন চরিত্রের জন্য কী করা হয়েছে।'

অভিযোগের প্রতিক্রিয়া

তিশা আরও বলেন, 'সে এমনভাবে লাইভ করেছে যেন আমি তাকে পারসোনালি অ্যাটাক করেছি। এখানে পারসোনালি অ্যাটাকের কিছুই নেই, তার বুঝতে ভুল হয়েছে। আমি যতটুকু করেছি, আমার চরিত্রের প্রয়োজনে করেছি। যতটুকু স্ক্রিপ্টে আছে, ততটুকুই করেছি। আমি চরিত্রের বাইরে কিছুই করিনি।' তিনি অভিযোগকারীর দুর্বলতা হিসেবে উল্লেখ করেন যে, 'এটা তার দুর্বলতা যে প্রফেশনাল সমস্যাটাকে ব্যক্তিগত সমস্যা হিসেবে নিয়েছে।'

এই অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, 'আমাকে নিয়ে যা যা বলা হয়েছে তা পুরোপুরি একটি ব্যক্তিগত আক্রমণ ছাড়া আর কিছুই নয়।' তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, তার কাজটি সম্পূর্ণ পেশাদারিত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল এবং কোনো ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের অংশ নয়।

ঘটনার পটভূমি

অভিনেত্রী সামিয়া অথৈ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলে বলেছিলেন, তিশা তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আঘাত ও অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেছেন। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিশার এই প্রতিক্রিয়া এসেছে, যা বিনোদন জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

তিশার বক্তব্যে স্পষ্ট যে, তিনি তার চরিত্রের প্রতি নিষ্ঠাবান এবং স্ক্রিপ্টের নির্দেশনা মেনে চলেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দর্শকরা শীঘ্রই তার কাজটি দেখে বুঝতে পারবেন কেন তাকে এমন আচরণ করতে হয়েছে। এই ঘটনা অভিনয় জগতে পেশাদারিত্ব এবং ব্যক্তিগত সীমারেখা নিয়ে নতুন আলোচনার সূত্রপাত করেছে।