এআই-নির্মিত 'কুছ কুছ হোতা হ্যায়' রিমেকে রণবীর কাপুর, আলিয়া ও দীপিকা একসঙ্গে
এআই-নির্মিত 'কুছ কুছ হোতা হ্যায়' রিমেকে রণবীর-আলিয়া-দীপিকা

এআই-নির্মিত 'কুছ কুছ হোতা হ্যায়' রিমেকে রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট ও দীপিকা পাড়ুকোন একসঙ্গে

নব্বই দশকের কালজয়ী রোমান্টিক সিনেমা 'কুছ কুছ হোতা হ্যায়'-এর কথা এখনও সিনেমাপ্রেমীদের হৃদয়ে জ্বলজ্বল করে। রাহুল, অঞ্জলি ও টিনার সেই অমর প্রেম-বিরহের গল্প নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে এবার হাতিয়ার হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি এআই-নির্মিত ভিডিও ও ছবিতে দেখা গেছে, এই ক্লাসিক সিনেমার একটি কাল্পনিক রিমেক সংস্করণ, যেখানে বর্তমান যুগের তারকাদের মুখচ্ছবি বসানো হয়েছে।

এআই-এর কাল্পনিক কাস্টিংয়ে রণবীর, আলিয়া ও দীপিকা

এই এআই সংস্করণে শাহরুখ খানের আইকনিক 'রাহুল' চরিত্রে দেখা গেছে অভিনেতা রণবীর কাপুরকে। তার পাশে 'অঞ্জলি' চরিত্রে উপস্থিত হয়েছেন তার স্ত্রী ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। আর 'টিনা'র গ্ল্যামারাস লুকে ধরা দিয়েছেন রণবীর কাপুরের সাবেক প্রেমিকা ও বলিউড তারকা দীপিকা পাড়ুকোন। মূল ছবিতে সালমান খান যে 'আমান' চরিত্রে চমক দিয়েছিলেন, সেখানে এআই সংস্করণে দেখা যাচ্ছে রণবীর সিংকে। এই অদ্ভুত ও চমকপ্রদ কাস্টিং নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

করণ জোহরের ভিন্ন চিন্তাভাবনা

গত বছর সানিয়া মির্জার একটি পডকাস্টে পরিচালক করণ জোহর 'কুছ কুছ হোতা হ্যায়'-এর একটি আধুনিক কাস্টিং নিয়ে তার মতামত প্রকাশ করেছিলেন। তবে তার পছন্দ ছিল এআই সংস্করণ থেকে কিছুটা ভিন্ন। করণ জোহর রাহুল চরিত্রের জন্য রণবীর সিংকে পছন্দ করলেও, অঞ্জলির জন্য আলিয়া ভাট এবং টিনার জন্য অনন্যা পান্ডেকে বেছে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। তার মতে, টিনা চরিত্রের জন্য জাহ্নবী কাপুর বা সারা আলি খানের নামও বিবেচনায় রাখা যেতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এআই ভিডিও

ইনস্টাগ্রামে দীপিকা পাড়ুকোনের এক ভক্তের পেজ থেকে শেয়ার করা এই এআই সংস্করণে সিনেমার বিখ্যাত ফ্রেন্ডশিপ ব্যান্ড টানাটানির দৃশ্য থেকে শুরু করে মূল পোস্টার পর্যন্ত সবকিছুই নতুন তারকাদের মুখ দিয়ে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই নেটিজেনদের মনে প্রশ্ন জেগেছে: যদি সত্যিই এই কাস্টিং নিয়ে সিক্যুয়েল বা রিমেক তৈরি হয়, তবে দর্শকরা তা কতটা গ্রহণ করবেন?

এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে সৃষ্ট এই কাল্পনিক কাস্টিং শুধু নস্টালজিয়াকেই জাগিয়ে তুলছে না, বরং বলিউডের ভবিষ্যৎ প্রকল্প নিয়েও নতুন করে ভাবনার সুযোগ তৈরি করছে। এটি প্রমাণ করে যে, প্রযুক্তির অগ্রগতি শিল্প ও বিনোদন জগতকে কীভাবে প্রভাবিত করতে পারে।