আজমেরী হক বাঁধনের প্রত্যাশা: আগামীর বাংলাদেশ হবে সাম্যের দেশ
বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতে সক্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়ে দেশ নিয়ে তার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামীর বাংলাদেশ একটি সাম্যের দেশ হবে যেখানে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারবে।
ভোট কেন্দ্রে পরিবার নিয়ে উপস্থিতি
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ঢাকা-১৬ আসনের ভোটার হিসেবে বাঁধন তার মা-বাবাকে নিয়ে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হন। ভোটাধিকার প্রয়োগের পর তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, "আমি একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখছি। এভাবেই একটি গণতান্ত্রিক সরকার নির্বাচিত হয়ে দেশ গঠনে কাজ করবে।"
সাম্যের দেশ গঠনের প্রত্যাশা
বাঁধন তার বক্তব্যে জোর দেন যে, আগামীর বাংলাদেশ একটি সাম্যের দেশ হবে এবং সেখানে সবাই সবার অধিকার বুঝে পাবে। তিনি বলেন, "কোনো রকম ইঞ্জিনিয়ারিং ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এভাবে একটি গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হতে যাচ্ছে যারা দেশের জনগণের জন্য কাজ করবে এবং সাম্য বজায় রাখবে।"
অভিনয় শিল্পের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির আহ্বান
নতুন সরকারের প্রতি বাঁধন অভিনয় শিল্পী পেশাকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, "সামাজিকভাবে আমাদের পেশাকে খুব একটা ভালোভাবে দেখা হয় না। পেশার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি থাকলে ভালো হবে।" তিনি আশা করেন, নির্বাচনের পর তথ্য ও সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয় এমন ব্যক্তিত্ব পাবেন যারা বিনোদন শিল্প নিয়ে চিন্তা করবেন।
বাঁধনের মতে, মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমেই পরিবর্তনের পথ তৈরি হয় এবং ভোট হলো এর গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। তার এই বক্তব্য দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নাগরিকদের আস্থা ও আশার প্রতিফলন ঘটায়।
