অলসতা এখনও তাঁর কাছে এক অদৃশ্য কিন্তু প্রবল প্রতিপক্ষ। কর্মহীন, উদ্দেশ্যহীন একটি দিন তাঁকে আজও অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। এমনই খোলামেলা অনুভূতি জানিয়েছেন বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন নিজের সাম্প্রতিক ব্লগে।
অলস দিনের অস্বস্তি
তিনি লিখেছেন, “একটি অলস দিন, প্রতিদিন কাজ না করলে সেটা ভীষণ অস্বস্তিকর লাগে। যখন আপনি নির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী কাজ করতে পারেন না, তখন অভ্যাসের পুরো ছন্দটাই ভেঙে যায়। তখন আপনি ভাবতে থাকেন, দিনটি কেন আপনার ইচ্ছামতো চলছে না।”
এর পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “যতদিন জীবন আছে, ততদিন শেখাও আছে। আমি প্রতিদিনই শিখি কারণ কোনো দিনই আরেক দিনের মতো নয়।” এই উপলব্ধির মধ্যেই তাঁর জীবনের মূল দর্শন স্পষ্ট হয়ে ওঠে—জীবন মানেই প্রতিদিন নতুন কিছু শেখা, আর সেই শেখার প্রধান মাধ্যম কাজ ও শৃঙ্খলা।
দীর্ঘ ক্যারিয়ার ও অমিতাভের দর্শন
দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত অমিতাভ বচ্চন ভারতীয় চলচ্চিত্রে এক অনন্য নাম। তিনি দুই শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘জঞ্জির’, ‘দিওয়ার’, ‘শোলে’, ‘সিলসিলা’, ‘শাহেনশাহ’, ‘পিকু’, ‘বদলা’, ‘ব্রহ্মাস্ত্র’—প্রতিটি প্রজন্মে তিনি নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছেন। ক্যারিয়ারের এই দীর্ঘ যাত্রায় তিনি কখনো থেমে থাকেননি, বরং সময়ের সঙ্গে নিজেকে আরও শাণিত করেছেন।
আজও বয়স তাঁর কাজের গতি কমাতে পারেনি। বরং প্রতিটি দিনকে তিনি দেখেন নতুন একটি কাজের সুযোগ হিসেবে। তাঁর কাছে অলসতা তাই আজও এক ধরনের অচেনা শত্রু, আর কাজই জীবনের সবচেয়ে বড় অভ্যাস।
বর্তমান প্রকল্প
বর্তমানে তিনি ব্যস্ত রয়েছেন নাগ অশ্বিন পরিচালিত সায়েন্স-ফিকশন ফ্র্যাঞ্চাইজি কাল্কি ২৮৯৮ এডি–এর পরবর্তী কিস্তির শুটিংয়ে। সেখানে তিনি আবারও অশ্বত্থামা চরিত্রে ফিরছেন। ছবিটির প্রথম কিস্তির বিশাল সাফল্যের পর সিক্যুয়েল ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ আরও বেড়েছে। এই প্রকল্পে তিনি আবারও একসঙ্গে কাজ করছেন প্রভাস ও দীপিকা পাড়ুকোন–এর সঙ্গে।



