সাইফের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে কারিনার সম্পর্ক: কী বলছেন মনোবিদরা?
সাইফের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে কারিনার সম্পর্ক কী?

বলিউডের অন্যতম চর্চিত দম্পতি সাইফ আলি খান ও কারিনা কাপুর খান। তবে সাইফের সাবেক স্ত্রী অমৃতা সিংয়ের সঙ্গে কারিনার সম্পর্ক কেমন, তা নিয়ে অনেকেরই কৌতূহল রয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কারিনা জানিয়েছেন, সাইফের সঙ্গে তার আলাপের সময় তিনি একেবারেই সিঙ্গেল ছিলেন। অমৃতার প্রতি তার অগাধ শ্রদ্ধা থাকলেও তাদের কখনো দেখা হয়নি।

ব্লেন্ডেড ফ্যামিলির প্রসার

বর্তমানে সাইফ-কারিনা, আমির-গৌরীর মতো মিশ্র পরিবারের সংখ্যা বাড়ছে। এ ধরনের পরিবারে স্বামী বা স্ত্রীর আগের পক্ষের সন্তানদের সঙ্গে বর্তমান স্ত্রী বা তার সন্তানেরাও সুসম্পর্ক বজায় রাখেন। একছাদের তলায় না থাকলেও উৎসব-অনুষ্ঠানে সব পক্ষকে একসঙ্গে দেখা যায়। আমির খান এ ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ উদাহরণ, যাকে সাবেক স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে নানা অনুষ্ঠানে দেখা যায়।

কারিনা ব্যতিক্রম

কিন্তু কারিনা সেখানে ব্যতিক্রম। সাইফের দুই পক্ষের ছেলেমেয়েদের একসঙ্গে দেখা গেলেও অমৃতা এবং কারিনাকে কখনোই একসঙ্গে দেখা যায়নি। বর্তমান ও সাবেক স্ত্রী বা স্বামীর মধ্যে সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত, সে প্রসঙ্গে মনোবিদরা কী বলছেন?

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মনোবিদদের মতামত

মনোবিদদের মতে, বর্তমান ও সাবেক স্ত্রী বা স্বামীর মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব থাকতেই হবে, এমন নয়। তবে যদি সন্তান থাকে, তাহলে ন্যূনতম সৌজন্যবোধ বজায় রাখা জরুরি। সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে কতটুকু যোগাযোগ রাখা হবে, সে বিষয়ে বর্তমান সঙ্গীর সঙ্গে স্পষ্ট কথা বলে নেওয়া উচিত। এ ছাড়া বর্তমান সংসারে সাবেকের গল্প টেনে আনা বা তুলনা করা এড়িয়ে চলাই ভালো। সাবেককে প্রতিদ্বন্দ্বী না ভেবে পরিবারের একটি অংশ হিসেবে দেখা উচিত।

তারা আরও বলেন, বাবা-মায়ের সম্পর্কের টানাপোড়েনের বোঝা অনেক সময় সন্তানদের বইতে হয়। যদি বর্তমান ও সাবেক সঙ্গী কোনো অনুষ্ঠানে একই ঘরে অস্বস্তি ছাড়া থাকতে পারেন, তবে সন্তানরাও মানসিকভাবে অনেক বেশি সুরক্ষিত বোধ করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সন্তানরা বড়দের কথার চেয়ে আচরণ বেশি লক্ষ্য করে। বড়দের মধ্যে তিক্ততা বা মানসিক যুদ্ধ চললে সন্তানদের মধ্যে অপরাধবোধ দেখা যায়। তারা ভাবে— একজনকে ভালোবাসলে বোধহয় অন্যজনের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করা হচ্ছে। কিন্তু বড়দের মধ্যে সদ্ভাব বা সৌজন্য বজায় থাকলে সন্তানদের সে ভয় কেটে যায়।