বাংলাদেশে আধুনিক পাপেটের পথিকৃৎ শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তাঁর মরদেহ রাখা হলে সেখানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শেষবারের মতো তাঁকে শ্রদ্ধা জানান।
শিল্পীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা
শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসেন নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার। তিনি বলেন, 'তিনি আমাদের সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন। তাঁর অবদান কখনো ভোলার নয়।' এছাড়া ছায়ানটের সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমদ লিসা শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, 'তিনি পাপেট শিল্পকে বাংলাদেশে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।'
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের শ্রদ্ধা
বরেণ্য এই শিল্পীর প্রতি সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা ফুল দিয়ে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। এ সময় তাঁরা শিল্পীর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
গার্ড অব অনার প্রদান
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। তাঁর মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হলে সেখানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
শেষ যাত্রা
পরে শিল্পীকে শেষবারের মতো নেওয়া হয় তাঁর প্রথম কর্মস্থল চারুকলা অনুষদে। সেখানেও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাঁকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। চারুকলা অনুষদ থেকে বনানীর উদ্দেশে রওনা দেয় শিল্পীর মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স। সেখানে তাঁকে সমাহিত করা হবে।
শিল্পীর অবদান
বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সংগঠনটির পক্ষ থেকে শিল্পীর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানানো হয়। ফুল দিয়ে প্রিয় শিল্পীকে চির বিদায় জানান ভক্ত-অনুরাগীরা।



