আগামী ১৫ মে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘নেপাল উৎসব’। বাংলাদেশ-নেপাল ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকার জন্য সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি।
রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
রোববার (৩ মে) বিকালে নেপালের রাষ্ট্রদূত সচিবালয়ে সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নেপালের উপ-মিশন প্রধান ললিতা সিলওয়াল। সাক্ষাৎকালে উৎসবের বিস্তারিত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।
উৎসবে যা থাকছে
নেপাল রাষ্ট্রদূত জানান, এই উৎসবে নেপালের পোখরা একাডেমি থেকে আগত একটি শিল্পী দল সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেবে। এছাড়া নেপালি খাবারের বৈচিত্র্যও তুলে ধরা হবে।
দ্বিপাক্ষিক সাংস্কৃতিক সহযোগিতা জোরদার
সাক্ষাৎকারে দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরও বেগবান করার লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচিত হয়। বিশেষ করে, বর্তমানে চলমান ‘সংস্কৃতি বিনিময় কর্মসূচি ২০২২-২০২৫’ এর মেয়াদ শেষ হতে চলায় এটি নবায়ন ও এর পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে উভয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
সাহিত্যিক সহযোগিতা পুনরুজ্জীবিত
এ সময় সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বাংলা একাডেমি ও নেপাল একাডেমির মধ্যে সাহিত্যিক সহযোগিতা পুনরুজ্জীবিত করার এবং উভয় দেশের সাহিত্যকর্ম অনুবাদের বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন।
সাংস্কৃতিক পর্যটনে যৌথ উদ্যোগ
রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী বাংলাদেশের উষ্ণ আতিথেয়তার প্রশংসা করে বলেন, নেপাল সবসময়ই বাংলাদেশের সাথে সাংস্কৃতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। তিনি ঢাকার ‘এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী’তে নেপালের নিয়মিত অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন এবং হেরিটেজ ট্যুরিজম বা সাংস্কৃতিক পর্যটন প্রসারে যৌথ উদ্যোগের প্রস্তাব দেন।
শিল্পী ও গবেষকদের সফর বিনিময়
বৈঠকে দুই দেশের শিল্পী, গবেষক ও সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদের নিয়মিত সফর বিনিময় এবং যৌথ প্রদর্শনী আয়োজনের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উভয়পক্ষ একমত পোষণ করেন।



