টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক অটোভ্যানচালক ও এক বাবুর্চির মধ্যে একে অপরের স্ত্রীকে পালিয়ে নিয়ে বিয়ে করার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ
জানা গেছে, সাতক্ষীরার তালাই উপজেলার বাসিন্দা রাজু ও মরিয়ম গত বছরের ৫ জুন টাঙ্গাইল আদালতে বিয়ে করেন। পরে হাসান মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের পেকুয়া আমতৈলপাড়া এলাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বাবুর্চি হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন। সেখানে তার সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন জহুরা বেগম। তিনি একই ইউনিয়নের আমতৈলপাড়া গ্রামের ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানচালক হাসান মিয়ার স্ত্রী। তাদের দাম্পত্য জীবনে এক ছেলে ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
প্রেমের সম্পর্ক
একই কর্মস্থলে কাজ করার সুবাদে রাজু ও জহুরার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে জানা যায়। গত ৭ মে রাজুর সঙ্গে পালিয়ে গিয়ে জহুরা অন্যত্র বিয়ে করেন। এর পর প্রতিশোধ নিতে জহুরার স্বামী হাসান সাতক্ষীরা থেকে রাজুর স্ত্রী মরিয়মকে সন্তানসহ নিয়ে এসে বিয়ে করেন। এর আগে মরিয়মের সঙ্গে মোবাইল ফোনে হাসান প্রায় ১৫ দিন যোগাযোগ করেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয় এবং বাড়িতে লোকজনের ভিড় বাড়তে থাকে। পেকুয়া এলাকার ভ্যানচালক মুখলেছ মিয়া বলেন, হাসান যা করেছে, তা কেউ করতে পারেনি। নিজের স্ত্রীকে রাজু ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করেছেন। পরে হাসান প্রতিশোধ হিসেবে রাজুর স্ত্রীকে এনে বিয়ে করেছেন।
হাসানের বক্তব্য
এ বিষয়ে হাসান মিয়া বলেন, রাজু আমার বউকে নিয়ে বিয়ে করেছে। আমি রাজুর বউকে এনে বিয়ে করেছি। আমি প্রতিশোধ নিয়েছি। সবাই দোয়া করবেন আমি যাতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সুখে বাকি জীবন পার করতে পারি।
ইউপি সদস্যের মন্তব্য
এ বিষয়ে বাঁশতৈল ইউনিয়নের নারী ইউপি সদস্য সালমা আক্তার জানান, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন, তবে ওই বাড়িতে তিনি যাননি। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনা সমাজে বিরূপ প্রভাব ফেলে।



