বিশ্বকাপের মাঠে নরওয়ের দীর্ঘদেহী, স্বর্ণকেশী আরলিং হলান্ডের মতো আর কেউ এত মুগ্ধ করেন না, নজর কাড়েন না। এই ভাইকিং হাঙ্ককে দেখলে প্রথমেই চোখে পড়ে তাঁর পেশীবহুল শরীর, লম্বা সোনালি চুল আর গ্লাস স্কিন। এবারের বিশ্বকাপে নিজের লুক দিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের আইডল আর নারী ভক্তদের ক্রাশে পরিণত হয়েছেন হালান্ড।
নর্ডিক জীবনযাত্রার প্রভাব
এই নরওয়েজিয়ান ফুটবল তারকার রেশমের মতো সোনালী চুল আর গ্লাস স্কিন শুধু জন্মগত বৈশিষ্ট্যই নয়, এর পেছনে আছে স্বাস্থ্যকর নর্ডিক জীবনযাপন, আবহাওয়া ও খাদ্যাভ্যাস। নরওয়ের ঠাণ্ডা জলবায়ু ও পরিষ্কার পরিবেশ ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সহায়তা করে।
খাদ্যাভ্যাস ও ত্বকের যত্ন
হালান্ডের খাদ্যতালিকায় থাকে প্রচুর মাছ, বিশেষ করে স্যামন, যা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ। এছাড়া তিনি নিয়মিত পানি পান করেন এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলেন। তার ত্বকের যত্নে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহারের কথাও জানা যায়।
ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মতে, হালান্ডের এই লুক তাকে মাঠে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। ভক্তরা তার চুল ও ত্বকের সৌন্দর্য নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে মাতামাতি করছেন।



