ফেনির দৈনিক সম্পাদক ফিরোজ আলমের মৃত্যু, নিকভিডি যাওয়ার পথে অটোরিকশায় শেষনিশ্বাস
ফেনির দৈনিক সম্পাদক ফিরোজ আলমের মৃত্যু, নিকভিডি যাওয়ার পথে

ফেনির দৈনিক সম্পাদক ফিরোজ আলমের অকালপ্রয়াণ, নিকভিডি যাওয়ার পথে অটোরিকশায় শেষনিশ্বাস

ফেনিভিত্তিক দৈনিক পত্রিকা সুপ্রভাত প্রতিদিনের প্রকাশক ও সম্পাদক ফিরোজ আলম (৬০) মারা গেছেন। শনিবার দুপুরে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট (নিকভিডি) যাওয়ার পথে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় তার শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন এই প্রবীণ সাংবাদিক।

মৃত্যুর বিস্তারিত ঘটনাক্রম

ফিরোজ আলম শনিবার দুপুর প্রায় ১টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন। তাকে নিকভিডিতে নেওয়ার জন্য একটি অটোরিকশা ভাড়া করা হয়েছিল। অটোরিকশা চালক আনোয়ার হোসেন ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, তিনি প্রায় ১২টা ৪৫ মিনিটে সায়েদাবাদ জনপথ সংযোগস্থলে যাত্রীর অপেক্ষায় ছিলেন। তখন ফিরোজ আলম ও আরেকজন ব্যক্তি তাকে ৫০০ টাকায় নিকভিডি যাওয়ার জন্য ভাড়া করেন।

তবে পরে শুধুমাত্র ফিরোজ আলমকে নিয়ে যাত্রা শুরু করেন আনোয়ার। পথে আলম অস্থির হয়ে পড়েন এবং দুই-তিন মিনিটের মধ্যে অজ্ঞান হয়ে যান। পুলিশ ও স্থানীয়দের পরামর্শে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকদের বক্তব্য

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন যে ফিরোজ আলম হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছেন। তার মৃতদেহ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

ফিরোজ আলমের পেশাগত জীবন

ফিরোজ আলম দীর্ঘদিন ধরে স্পোর্টস সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৮০-এর দশক থেকে তিনি এই পেশায় সক্রিয় ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি সোনালী ব্যাংকে যোগদান করেন এবং সম্প্রতি অবসর গ্রহণ করেন।

অবসর গ্রহণের পর তিনি আবারও সাংবাদিকতায় ফিরে আসেন এবং সুপ্রভাত প্রতিদিন নামে একটি দৈনিক পত্রিকার ঘোষণাপত্র সংগ্রহ করেন। তিনি বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনেরও সদস্য ছিলেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ব্যক্তিগত ও পেশাগত অবদান

ফিরোজ আলম তার কর্মজীবনে সাংবাদিকতা ও ব্যাংকিং দুটি ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ফেনি অঞ্চলে সাংবাদিকতা বিকাশে তার অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সুপ্রভাত প্রতিদিন পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় সংবাদ পরিবেশনে নতুন মাত্রা যোগ করেছিলেন।

তার মৃত্যুতে সাংবাদিকতা ও ক্রীড়া জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ফেনি অঞ্চলের সাংবাদিক সম্প্রদায় এই ক্ষতি গভীরভাবে অনুভব করছে।