রামিনের গবেষণাগারে একটি বিস্ফোরণের পর বেগুনি ধোঁয়া ওঠে। তার সর্বশেষ গবেষণা 'ফাটাফাটি-শোঁ শোঁ' ব্যর্থ হয়। রামিন রসায়নবিদ্যার ভক্ত, বাসার গ্যারেজে ল্যাব বানিয়েছে। সেখানে ১৬টি গোল্ডফিশ পালে। নানাবাড়ি যাওয়ার আগে মাছের খাবার গুছিয়ে রাখে।
রাজীবের ভুল: মাছের খাবারের বদলে রাসায়নিক
রামিনের বন্ধু রাজীব মাছ দেখতে আসে। তাকে দেওয়া মাছের খাবারের ক্যানের বদলে সে রামিনের পরিত্যক্ত রাসায়নিক মিশিয়ে দেয় অ্যাকুয়ারিয়ামে। পানিতে বুদবুদ ওঠে, বেগুনি ধোঁয়া ছড়ায়। মাছগুলো দানবে পরিণত হয়: হিংস্র, ডাঙায় হাঁটতে পারে, আকারে বিশাল।
শান্তিপুরে দানব মাছের তাণ্ডব
রাতের বেলা মাছগুলো অ্যাকুয়ারিয়াম থেকে বেরিয়ে শহরে চলে যায়। তারা 'দারুচিনি দ্বীপ' রেস্টুরেন্টে হামলা চালায়, হেড বেয়ারাকে গিলে ফেলার চেষ্টা করে। পরে 'আদি তারকনাথ ছিপ-বড়শি ভান্ডার' ধ্বংস করে। শহরবাসী আতঙ্কিত হয়।
রামিনের ফেরা ও রাজীবের স্বীকারোক্তি
রামিন নানাবাড়ি থেকে ফিরে মাছ উধাও দেখে। রাজীব স্বীকার করে যে সে মাছ 'মেরে ফেলেছে'। রামিন বুঝতে পারে রাসায়নিক মাছকে দানব বানিয়েছে। তারা মাছকে স্বাভাবিক করতে অ্যান্টিডোট বানানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
টোপ হিসেবে রাজীব: টিনের কস্টিউম
রামিন রাজীবকে 'ফেবারিট ফুড, ফর দ্য ফিশ' লেখা টিনের কস্টিউম পরিয়ে টোপ হিসেবে ব্যবহার করে। রাজীব দৌড়ে মাছগুলোকে সুইমিংপুলে টেনে আনে। রামিন সেখানে প্রতিষেধক তৈরি করে রাখে।
প্রতিষেধকের সাফল্য: মাছ স্বাভাবিক
রাজীব লাফিয়ে পুলে নামে, মাছগুলো পিছু নেয়। রামিন বালতিভর্তি প্রতিষেধক পানিতে ফেলে। বিস্ফোরণ ও রং পরিবর্তনের পর ১৬টি গোল্ডফিশ স্বাভাবিক আকারে ফিরে আসে। রাজীব জ্ঞান হারায়।
শান্তিপুরে উৎসব, কিন্তু নতুন বিপদের ইঙ্গিত
পরদিন শহরে বিজয় উৎসব হয়। মেয়র বক্তৃতা দেন। রাজীব মনমরা, কিন্তু রামিন বলে এটা টিমওয়ার্ক। শেষে দেখা যায়, মাছগুলোর পিঠ থেকে পাখনা গজাতে শুরু করেছে—আবারও বিপদের ইঙ্গিত।



