ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা নেইমার জুনিয়র মাঠের বাইরেও বিনোদনপ্রেমী। বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এই ফুটবলার বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের পছন্দের সিনেমা, সিরিজ ও অভিনেতাদের কথা তুলে ধরেছেন। ইএসপিএনইউকেতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেইমার জানিয়েছিলেন প্রিয় সিরিজের তালিকা।
গেম অব থ্রোনস
দীর্ঘ কাহিনির সিরিয়াল ও ওয়েব সিরিজ দেখতে দারুণ ভালোবাসেন নেইমার। সেই ধারাবাহিকতায় তাঁর পছন্দের তালিকায় রয়েছে বিশ্ব কাঁপানো বেশ কিছু সিরিজ। শুরুতেই তিনি জানান ‘গেম অব থ্রোনস’–এর কথা। ফ্যান্টাসি ঘরানার এই মহাকাব্যিক সিরিজটি নেইমারের অন্যতম অল-টাইম ফেভারিট। তিনি এটা দেখার জন্য অপেক্ষা করতেন। গল্প, অভিনয় চরিত্রগুলো তিনি পছন্দ করেছিলেন। অবসর, খেলা ও অনুশীলনের ফাঁকে তিনি সিরিজটি দেখতেন।
মানি হাইস্ট
এরপরেই রয়েছে আরেক বিখ্যাত ওয়েব সিরিজ ‘মানি হাইস্ট’-এর নাম। ব্যাংক ডাকাতির গল্পটি বিশ্বব্যাপী আলোচিত হয়েছিল। সাধারণ দর্শকদের মতো এই সিরিজটি দেখতেন এই মাঠের তারকা। আলোচিত এই স্প্যানিশ ক্রাইম সিরিজটির নেইমার এতটাই ভক্ত ছিলেন যে এর তৃতীয় সিজনে তিনি নিজেই ‘মনজে জোয়াও’ নামের এক সন্ন্যাসীর ক্যামিও চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এই সিরিজের সব কটি পর্বই তাঁর পছন্দের।
স্ট্রেঞ্জার থিংস
এর পরের তালিকায় রয়েছে সায়েন্স ফিকশন ও ড্রামা ঘরানার সিরিজ ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’। নেটফ্লিক্সের ব্লকবাস্টার সায়েন্স-ফিকশন ও হরর সিরিজ। আশির দশকের প্রেক্ষাপটে তৈরি এই গল্পে একদল শিশু ও ‘ইলেভেন’ নামের অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন এক মেয়ের অতিপ্রাকৃতিক শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের গল্প ফুটে উঠেছে। এর টান টান উত্তেজনা, আশির দশকের নস্টালজিয়া ও রহস্যময় এই গল্প বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয় করে তুলেছে।
ইউ
নেইমার জুনিয়র তাঁর অন্যতম প্রিয় ও রোমাঞ্চকর সিরিজ হিসেবে এটিও তালিকায় রেখেছেন। এই তালিকায় রয়েছে ‘ইউ’ সিরিজটি। এটি নেটফ্লিক্সের অত্যন্ত জনপ্রিয় সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ঘরানার ওয়েব সিরিজ। ভালোবাসার নামে চরম আসক্তি, সাইবার স্টকিং (অনলাইনে পিছু নেওয়া) এবং মানুষের মনের অন্ধকার দিক এই সিরিজে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
দ্য ব্ল্যাকলিস্ট
অনেকবারই নেইমার জানিয়েছেন, থ্রিলার ও ক্রাইম ড্রামার প্রতি তাঁর বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে। যে কারণে তিনি পছন্দের তালিকায় রেখেছেন ‘দ্য ব্ল্যাকলিস্ট’ সিরিজ। ‘দ্য ব্ল্যাকলিস্ট’ জনপ্রিয় আমেরিকান ক্রাইম-থ্রিলার সিরিজ। এর গল্প সাবেক সরকারি এজেন্ট রেমন্ড রেডিংটনকে ঘিরে, যে বিশ্বের শীর্ষ অপরাধীদের একজন। সে হঠাৎ এফবিআইয়ের কাছে আত্মসমর্পণ করে এবং এক নতুন অনভিজ্ঞ এজেন্টের সহায়তায় বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক অপরাধীদের ধরতে সাহায্যের বিনিময়ে নিজের মুক্তি দাবি করে।
সূত্র: নেইমার ডটকম, ইএসপিএনইউকে ডটকম ও গোলসাইড



