বিশ্বকাপ দেখতে আমেরিকায় বাংলাদেশি অভিনয়শিল্পী দম্পতি
বিশ্বকাপ দেখতে আমেরিকায় বাংলাদেশি অভিনয়শিল্পী দম্পতি

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী নাদিয়া মাহমুদ ও এফ এস নাঈম দম্পতি বিশ্বকাপ ফুটবল দেখতে আমেরিকায় অবস্থান করছেন। শুক্রবার কানসাসের অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা-কানাডা ম্যাচ সরাসরি দেখার সুযোগ হয়েছে তাদের।

ছোটবেলা থেকে আর্জেন্টিনার ফ্যান নাদিয়া

নাদিয়া ছোটবেলা থেকেই আর্জেন্টিনার সমর্থক। অন্যদিকে নাঈমের পছন্দের দল জার্মানি। তবে যে দলের সমর্থকই হোন, বিশ্বকাপে মেসির খেলা দেখার সুযোগ হাতছাড়া করেননি তারা। নাঈম জার্মানির সমর্থক হলেও মেসি, রোনালদোদের খেলা দেখার মধ্যে আলাদা একটা ব্যাপার আছে বলে জানান।

মেসির খেলা দেখার অভিজ্ঞতা

নাঈম বলেন, ‘গ্যালারিতে এসে টের পাচ্ছি মেসি কী! সামনে থেকে মেসির খেলা দেখা একটা লাইফটাইম এক্সপেরিয়েন্স।’ নাদিয়া বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে ধারাবাহিকভাবে ম্যারাডোনা, বাতিস্তুতা হয়ে মেসিদের সমর্থক। মেসি তো দলমতের বাইরে প্রায় সব ফুটবলপ্রেমীরই পছন্দের খেলোয়াড়। তারপরও সে যেহেতু আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়, তাই ভালোবাসাটা একটু বেশিই।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কাতার বিশ্বকাপে যেতে পারেননি

বাংলাদেশের কাছাকাছি গতবার কাতার বিশ্বকাপ হলো, কিন্তু সেবার নানা ব্যস্ততায় যেতে পারেননি তারা। তাই যখন জানতে পারলেন ২০২৬ বিশ্বকাপ আমেরিকায় হবে, তখনই ঠিক করেন খেলা দেখতে যাবেন। এরপর সেভাবেই নির্দিষ্ট সময়ে নিবন্ধন করেন একাধিক আইডি থেকে। পছন্দের দলগুলোর মধ্যে আর্জেন্টিনা, জার্মানির ম্যাচগুলো রেখেছিলেন। তবে ড্রতে শুরুর দিকে তাদের নাম ওঠেনি।

টিকিট পাওয়ার গল্প

ফিফা থেকে সরি লেখা মেইল এলেই তাই মনটা খারাপ হচ্ছিল এই অভিনেতা-অভিনেত্রীর। এরপর শেষ দিকে এসে পেলেন কানসাসের এই ম্যাচের টিকিট কেনার সুযোগ। খেলার আগে সকাল থেকেই ঘুরেছেন স্টেডিয়াম এলাকার আশপাশ। সেখানেও ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে নানা রকম আয়োজন রাখা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্টেডিয়ামে পৌঁছে মুগ্ধ

এরপর ফিফার নির্ধারিত বাসে চড়ে পৌঁছালেন স্টেডিয়ামে। ঢোকার পর স্টেডিয়ামজুড়ে নীল-সাদা সমর্থকদের ঢেউ দেখে দুজনেই মুগ্ধ হয়েছেন। নাদিয়া বলেন, ‘প্রথমবার প্রিয় দলের খেলা দেখতে স্টেডিয়ামে এলাম। আর সেই ম্যাচেই মেসির এতগুলো ইতিহাস হলো, ভাবতেই ভালো লাগছে। মেসির খেলা দেখা আসলেই আমাদের সারা জীবনের এক অন্যতম অর্জন হয়ে থাকবে।’