দুই দশক পর ফিরছেন মেরিল স্ট্রিপ ও অ্যান হ্যাথাওয়ে, আসছে 'দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা ২'
২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া কমেডি সিনেমা 'দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা'র সিক্যুয়েল নিয়ে ফিরছেন হলিউড তারকা মেরিল স্ট্রিপ ও অ্যান হ্যাথাওয়ে। মার্কিন লেখক লরেন ওয়াইসবার্গারের উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি প্রথম সিনেমাটি পরিচালনা করেছিলেন ডেভিড ফ্র্যাঙ্কেল। এখন দুই দশক পর, ২৯ এপ্রিল মুক্তি পাচ্ছে 'দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা ২'।
স্ট্রিপের প্রতিক্রিয়া: প্রথম সিনেমার সাফল্য নিয়ে বিস্ময়
গত সোমবার সিউলে এক সংবাদ সম্মেলনে মেরিল স্ট্রিপ সিনেমাটি নিয়ে কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রথম ছবিটি এত বড় পরিসরে সাড়া ফেলবে, তা তিনি ভাবেননি। স্ট্রিপ বলেন, 'নারী ও তরুণীদের মধ্যে ছবিটি জনপ্রিয় হবে জানতাম, কিন্তু বড় দর্শকগোষ্ঠীর কাছে এমন সাফল্য আমাকে অবাক করেছে। অনেক পুরুষও এসে বলেছে, তারা আমার চরিত্রটি বুঝতে পেরেছে—এটা আমার জন্য বিশেষ।'
নতুন কাহিনি: মিডিয়াজগতে টিকে থাকার লড়াই
'দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা ২' সিনেমাতেও মিরান্ডা প্রিস্টলি চরিত্রে দেখা যাবে মেরিল স্ট্রিপকে। দ্রুত বদলে যাওয়া মিডিয়াজগতে টিকে থাকার লড়াইয়ের নতুন কাহিনিতে এবারও রানওয়ে ম্যাগাজিনের নেতৃত্বে থাকবেন তিনি। অন্যদিকে, অ্যান হ্যাথাওয়ে ফিরছেন অ্যান্ডির চরিত্রে, যিনি এখন আর নবীন নন; হয়ে উঠেছেন অভিজ্ঞ অনুসন্ধানী সাংবাদিক। কাহিনির একপর্যায়ে আবারও প্রিস্টলির সঙ্গে কাজ করতে দেখা যাবে তাঁকে।
হ্যাথাওয়ের মন্তব্য: সময়ের পরিবর্তন ও ক্যারিয়ারের প্রভাব
অ্যান হ্যাথাওয়ে বলেন, দুই ছবির মাঝে ২০ বছরের ব্যবধান খুব বেশি নয়। 'প্রথম ছবিতে অ্যান্ডির বয়স ছিল ২২, অভিজ্ঞতা কম ছিল। এখন সে জীবন দেখেছে, দক্ষতা, দৃষ্টিভঙ্গি ও আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে,' বলেন তিনি। হ্যাথাওয়ে আরও জানান, প্রথম সিনেমাটি তার ক্যারিয়ারে বড় প্রভাব ফেলেছিল, যা তাকে আরও ঝুঁকি নিতে সাহায্য করেছে।
সিনেমার বার্তা: দর্শকের জন্য উন্মুক্ত ব্যাখ্যা
ছবির বার্তা নিয়ে খুব বেশি ব্যাখ্যায় যেতে চান না মেরিল স্ট্রিপ। তাঁর কথায়, 'কোনো নির্দিষ্ট বার্তা চাপিয়ে দিতে চাই না। দর্শক মজা খুঁজবে, পাশাপাশি বর্তমান সময়ের গুরুতর বিষয়গুলোর আভাস পাবে—যা খুশি, সেখান থেকেই নেবে।' এছাড়া, কোরিয়া সফর নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন দুই তারকা, যা সিনেমার প্রচারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
সিনেমা প্রেমীদের জন্য 'দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা ২' একটি প্রতীক্ষিত মুক্তি, যেখানে পুরনো চরিত্রগুলো নতুন প্রেক্ষাপটে ফিরে আসছে।



