প্রথম আলোর পুড়ে যাওয়া ভবনে 'আলো' শিল্পকর্ম প্রদর্শনী, উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা
প্রথম আলোর পুড়ে ভবনে 'আলো' শিল্প প্রদর্শনী, বিশিষ্টদের উপস্থিতি

প্রথম আলোর পুড়ে যাওয়া ভবনে 'আলো' শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর আয়োজন

প্রথম আলোর অগ্নিদগ্ধ ভবনে একটি অনন্য শিল্পকর্ম প্রদর্শনী 'আলো' আয়োজিত হয়েছে, যা ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যে জাগরণের বার্তা বহন করে। এই প্রদর্শনীতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেছেন, যেখানে শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ

প্রদর্শনীটি ঘুরে দেখতে এসেছিলেন স্থপতি মেরিনা তাবাশ্যুম, স্থপতি এনামুল করিম নির্ঝর এবং অভিনেত্রী অপি করিম। এছাড়াও, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সালমা আলী, চিত্রশিল্পী ওয়াকিলুর রহমান, চিত্রশিল্পী মনিরুল ইসলাম এবং চিত্রশিল্পী ঢালী আল মামুন প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।

বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক তথ্য উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীও এই শিল্পকর্ম প্রদর্শনী দেখতে আসেন। তাদের উপস্থিতি প্রদর্শনীর গুরুত্ব ও প্রভাবকে আরও বৃদ্ধি করেছে।

শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণ

লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের শিক্ষার্থীরা লাইন দিয়ে প্রবেশ করে প্রদর্শনী দেখেছেন, যা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে শিল্পের প্রতি আগ্রহকে প্রতিফলিত করে। সাধারণ দর্শনার্থীরাও প্রথম আলোর পুড়ে যাওয়া ভবনে শিল্পকর্ম প্রদর্শনী দেখতে এসেছেন, যা সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করেছে।

এই প্রদর্শনীটি শুধুমাত্র শিল্পের প্রদর্শন নয়, বরং এটি একটি প্রতীকী বার্তা বহন করে—যেখানে ধ্বংসের পরেও আলো ও সৃজনশীলতা জাগ্রত থাকে। প্রথম আলোর ওপর হামলার পর এই আয়োজন একটি শক্তিশালী বিবৃতি হিসেবে কাজ করেছে, যা শিল্প ও সংস্কৃতির মাধ্যমে পুনরুদ্ধার ও আশার বার্তা দেয়।