চন্দ্রনাথ আমাদের সবার ভাই ছিল, মনে রেখ তৃণমূল: রুদ্রনীল
চন্দ্রনাথ সবার ভাই ছিল, মনে রেখ তৃণমূল: রুদ্রনীল

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের লড়াই শেষ হলেও রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে হিংসার আগুন এখনও নেভেনি। ভোটের ফল প্রকাশের পরপরই উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় শোক এবং ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন টালিউড অভিনেতা ও বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ।

রুদ্রনীলের ফেসবুক পোস্টে আগুন

সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্টে রুদ্রনীল ঘোষ তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি সরাসরি অভিযোগ এনেছেন। তিনি লিখেছেন, 'তৃণমূল প্রমাণ দিল তারা তৃণমূল। ভাই চন্দ্রনাথ রথ শুধু শুভেন্দুদার আপন ছিল না, আমাদের সবার আপন ভাই ছিল। মনে রেখ তৃণমূল।' এই পোস্টের পর রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। রুদ্রনীলের অভিযোগের তীর স্পষ্টতই শাসক দলের দিকে নিক্ষিপ্ত।

তৃণমূলের অস্বীকৃতি

তবে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, এই ঘটনার পেছনে কোনো অভ্যন্তরীণ বিবাদ অথবা অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে। পুলিশি তদন্তের মাধ্যমেই প্রকৃত সত্য উদঘাটন হবে বলে তারা আশাবাদী।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার বিবরণ

জানা গেছে, কাজ সেরে কলকাতায় ফেরার পথে দোহরিয়া এলাকায় চন্দ্রনাথ রথের গাড়ি আটকে তিন-চারজন দুষ্কৃতকারী অতর্কিত হামলা চালায়। তারা বাইক থেকে এসে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। চন্দ্রনাথ রথকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় গাড়ির চালকও গুরুতর জখম হয়েছেন, তার শরীরে তিনটি গুলি লেগেছে। শুভেন্দু অধিকারী নিজে হাসপাতালে গিয়ে চন্দ্রনাথের দেহ শনাক্ত করেন এবং কান্নায় ভেঙে পড়েন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, নির্বাচনে জয়ের আনন্দকে ম্লান করে দিয়ে আবার মাথা চাড়া দিয়েছে রাজনৈতিক হত্যা। রুদ্রনীল ঘোষের মতো নবনির্বাচিত বিধায়করা এখন রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানানোর কথা বলছেন। রুদ্রনীলের হুঁশিয়ারি থেকে স্পষ্ট, এই ঘটনা আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিকে আরও উত্তাল করে তুলতে পারে।