বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘নৃত্যগীতি ও প্রবন্ধপাঠ’ অনুষ্ঠান। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পাওয়ান বঢ়ে।
প্রবন্ধ পাঠ ও সভাপতিত্ব
শিক্ষাবিদ অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক আহমেদ রেজা। ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও ইতিহাস গবেষক আশরাফুল ইসলাম অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন। সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন পাহাড়ী বীরপ্রতীক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
নৃত্যগীতি পরিবেশনা
ভারতীয় হাইকমিশনের ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের সহযোগিতায় রবীন্দ্র ও নজরুল জয়ন্তীর এই আয়োজনে খ্যাতিমান নৃত্যগুরু শামীম আরা নীপা ও শিবলী মোহাম্মদের পরিচালনায় নৃত্যাঞ্চলের শিল্পীদের মনোমুগ্ধকর ‘নৃত্যগীতি’ অনুরাগীদের মুগ্ধ করে। এই পর্বে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের ১৪টি জনপ্রিয় গানের সঙ্গে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন শিল্পীরা।
চিত্রকর্ম প্রদর্শনী
আয়োজনে রাজধানী ঢাকা ও সংলগ্ন এলাকার ১৩টি বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীর আঁকা রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের প্রতিকৃতি প্রদর্শিত হয়।
স্বীকৃতি সনদ বিতরণ
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী ক্ষুদে শিল্পীদের হাতে স্বীকৃতি সনদ তুলে দেন জুরি বোর্ডের প্রধান ও গ্যালারি চিত্রকের প্রতিষ্ঠাতা শিল্পী মো. মনিরুজ্জামান, বীকন ফার্মাসিউটিকেলসের ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম মাহমুদুল হক পল্লব এবং ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম মিল্টন।
সম্মাননা
নৃত্যশিল্পী শামীম আরা নীপা ও শিবলী মোহাম্মদকে উত্তরীয় পরিয়ে সম্মানিত করেন ভারতীয় হাইকমিশন ঢাকার প্রথম সচিব গোকুল ভি কে। অনুষ্ঠানে আয়োজন সহযোগী ছিল সাংস্কৃতিক বিদ্যাপীঠ তপোবন, নৃত্যাঞ্চল ও বহুমাত্রিক ডটকম।



