হলি আর্টিজান বেকারি হামলা: ফাঁকি দেওয়া সেই দিনের স্মৃতি
হলি আর্টিজান হামলা: ফাঁকি দেওয়া সেই দিনের স্মৃতি

২০১৬ সালের ১ জুলাই। দিনটি ছিল শুক্রবার। লেখক তখন যুক্তরাষ্ট্রে স্নাতকোত্তর পড়ছেন, ছুটিতে ঢাকায় এসেছেন। বোনের সঙ্গে কফি খাওয়ার পরিকল্পনা। বোন বলেছিল, ঢাকার সেরা বেকারি হলি আর্টিজানে যাবে। কিন্তু লেখকের ভীতি ছিল দামি জায়গা নিয়ে। শেষ পর্যন্ত সেদিন তারা সেখানে যাননি।

হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলা

সেদিন সন্ধ্যায় সন্ত্রাসীরা হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালায়। ২০ জিম্মি নিহত হয়, যাদের মধ্যে অনেক বিদেশি নাগরিক ছিলেন। দুই পুলিশ অফিসার এবং পাঁচ সন্ত্রাসীও নিহত হয়। লেখক তখন লেকশোর হোটেলে ছিলেন, সাড়া কিলোমিটার দূরে। সেখান থেকে গুলির শব্দ শোনা যায়।

ঢাকায় পরিবর্তিত পরিবেশ

হামলার পর ঢাকায় কয়েক সপ্তাহ ছিলেন লেখক। শহরটি সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছিল। হামলাটি অবাস্তব মনে হয়েছিল। হলি আর্টিজান আর আগের মতো খোলেনি, তবে ছোট পরিসরে পুনরায় চালু হয়। এটি প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মীদের সাহসের প্রমাণ।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

১০ বছর পর স্মৃতি

১০ বছর পরও সেই দিনের স্মৃতি ভোলা যায় না। লেখকের বোন এখন অস্ট্রেলিয়ায় থাকেন। সম্প্রতি তিনি ঢাকায় এলে আবারও সেই দিনের কথা ওঠে। লেখক মনে করেন, ভাগ্যিস সেদিন তারা হলি আর্টিজানে যাননি। প্রশ্ন জাগে, যদি যেতেন তাহলে কী হতো? বেঁচে গেলে নিজেদের ক্ষমা করতে পারতেন? সৌভাগ্যবশত, তাদের সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়নি।

লেখক: এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান, সম্পাদক, সম্পাদকীয় ও মতামত, ঢাকা ট্রিবিউন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ