খুলনায় পরকীয়ার জেরে একই পরিবারের চার সদস্যকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা
পরকীয়ার জেরে খুলনায় পরিবারের চার সদস্য গুলিবিদ্ধ

খুলনায় পরকীয়ার জেরে একই পরিবারের চার সদস্যকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা

খুলনা নগরীর লবণচরা থানার কৃষ্ণনগর ঠিকারবাদ এলাকায় বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এক মর্মান্তিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা ঘরের ভেতর ঢুকে একই পরিবারের চার জনকে গুলি করেছে, যার ফলে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়েছে।

আহতদের পরিচয় ও চিকিৎসা ব্যবস্থা

গুলিবিদ্ধরা হলেন কাজী আনিসুর রহমান, তার স্ত্রী রঞ্জুয়ারা বেগম, ছেলে রাইছুল ইসলাম ও ছেলের স্ত্রী ফহিমা আক্তার। এদের মধ্যে রঞ্জুয়ারা বেগম ও ফহিমা আক্তারের অবস্থা বিশেষভাবে গুরুতর। তাদের বুকে ও পায়ে গুলি লাগায় স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা সম্ভব হয়নি। তাই, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

হামলার পেছনের কারণ ও পুলিশের তদন্ত

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, এই হামলার মূল কারণ পরকীয়া সম্পর্ক। কাজী আনিসুরের ছোট ছেলে রাশিদুল মাদকের একটি মামলায় গত তিন বছর আগে কারাগারে যায়। সেখানে সন্ত্রাসী ইমরানের সঙ্গে তার পরিচয় ও বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে রাশিদুল ইমরানের বাড়িতে আসা-যাওয়া শুরু করে এবং এ সুযোগে ইমরানের স্ত্রী ফাহিমার সঙ্গে তার অবৈধ সম্পর্ক তৈরি হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ইমরান পুনরায় একটি মামলায় গত ছয় মাস আগে কারাগারে গেলে, রাশিদুল ফাহিমাকে বিয়ে করে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ইমরান প্রতিশোধ নিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে এই হামলা চালায়। হামলার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

পুলিশের বক্তব্য ও গ্রেপ্তার অভিযান

খুলনার লবণচরা থানার ওসি মো. তুহিনুজ্জামান বলেন, পরকীয়ার জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, হামলায় অংশ নেওয়া ছয়জন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে। পুলিশ এই ঘটনায় তদন্ত জোরদার করেছে এবং অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ঘটনা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে এবং স্থানীয়রা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছে। পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে যে, অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা হবে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।