রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিতে বাংলাদেশের বিশেষ ছাড়ের অনুরোধ ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে যুক্তরাষ্ট্র
রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিতে বাংলাদেশের ছাড় অনুরোধ ইতিবাচক বিবেচনা করবে যুক্তরাষ্ট্র

রাশিয়া থেকে পরিশোধিত ডিজেলসহ অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির জন্য বাংলাদেশের বিশেষ ছাড়ের অনুরোধ ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনে এক বৈঠকে মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে এ আশ্বাস দিয়েছেন। বুধবার (১ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বৈঠকে আলোচিত মূল বিষয়সমূহ

ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় বাংলাদেশের সৃষ্ট সংকট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিকল্প উৎসের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশের বিশেষ অনুরোধ

এসময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাশিয়া থেকে সরাসরি পরিশোধিত ডিজেল ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশেষ ছাড় পাওয়ার আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, এর আগেও বাংলাদেশ একই অনুরোধসহ যুক্তরাষ্ট্রকে একটি চিঠি প্রেরণ করেছিল, যা এখন ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া ও আশ্বাস

মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট বৈঠকে বাংলাদেশের এই অনুরোধটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি জ্বালানি নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্পর্কিত যুক্তরাষ্ট্রের নীতিমালার আলোকে এই বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে বলে জানান।

প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য

বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ চেইনে ব্যাঘাত সৃষ্টি হওয়ায় বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানির বিশেষ ছাড় প্রাপ্তি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শিল্প খাতের চালিকাশক্তি বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই আলোচনাটি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতার দরজা খুলে দিতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে এই বৈঠকের ফলাফলকে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।