ইরানকে হামলার লক্ষ্য শনাক্তে রাশিয়ার সহায়তার অভিযোগ জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
ইরানকে লক্ষ্য শনাক্তে রাশিয়ার সহায়তার অভিযোগ জার্মানির

ইরানকে হামলার লক্ষ্য শনাক্তে রাশিয়ার সহায়তার অভিযোগ জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ভাডিপুল রাশিয়ার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। তিনি দাবি করেন যে রাশিয়া ইরানকে সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে তথ্য প্রদান করে সহায়তা করছে। এই অভিযোগটি তিনি ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ বৈঠকের ফাঁকে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তুলে ধরেন।

পুতিনের কৌশল সম্পর্কে সতর্কতা

ভাডিপুল আরও উল্লেখ করেন যে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধকে একটি কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন। তার মতে, পুতিনের উদ্দেশ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বৃদ্ধি করে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক হামলা ও অপরাধমূলক কার্যক্রম থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ সরিয়ে নেওয়া।

জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘পুতিন নিষ্ঠুরভাবে আশা করছেন যে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ইউক্রেনে তার অপরাধগুলো থেকে আমাদের মনোযোগ সরিয়ে দেবে। এই হিসাব সফল হওয়া চলবে না। আমরা খুব স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছি, এই দুটি সংঘাত কতটা ঘনিষ্ঠভাবে একে অপরের সাথে জড়িত।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জি-৭ বৈঠকে আলোচনা ও জার্মানির অবস্থান

ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ বৈঠকের সময় ভাডিপুল যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সাথে সাক্ষাৎ করেন। এই আলোচনায় তিনি জার্মানির আনুষ্ঠানিক অবস্থান ও উদ্বেগগুলো বিশদভাবে তুলে ধরেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে এই ধরনের সহযোগিতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে আরও হুমকির মুখে ফেলছে।

তিনি আরও যোগ করেন, ‘রাশিয়া স্পষ্টতই সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে তথ্য দিয়ে ইরানকে সহায়তা করছে।’ এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হরমুজ প্রণালিতে জার্মানির ভূমিকা

ভাডিপুল তার বক্তব্যে ভবিষ্যতের সম্ভাবনা নিয়েও আলোকপাত করেন। তিনি জানান, যদি বর্তমান উত্তেজনা প্রশমিত হয়, তাহলে হরমুজ প্রণালিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জার্মানি সক্রিয় ভূমিকা পালনে আগ্রহী। এই অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জার্মানি আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় অংশগ্রহণ করতে প্রস্তুত রয়েছে।

এই ঘটনাটি আল–জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রকাশিত হয়েছে এবং এটি বিশ্ব রাজনীতিতে রাশিয়া ও ইরানের সম্পর্ক নিয়ে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত করেছে।