ইরান থেকে ১৮৬ বাংলাদেশি নাগরিকের সফল প্রত্যাবাসন, বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছান
ইরান থেকে ১৮৬ বাংলাদেশির প্রত্যাবাসন, বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকা

ইরান থেকে ১৮৬ বাংলাদেশি নাগরিকের সফল প্রত্যাবাসন সম্পন্ন

ইরান থেকে ১৮৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরে এসেছেন, যা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ প্রচেষ্টার একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। শুক্রবার, ২০ মার্চ দিবাগত রাত ১টা ৩৫ মিনিটে একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত বিবরণ

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, আটকে পড়া বাংলাদেশিদের প্রথমে তেহরান থেকে সড়কপথে আজারবাইজান সীমান্তে নেওয়া হয়। সেখান থেকে আবার সড়কপথে বাকুতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বাকুর বিমানবন্দর থেকে বিশেষ ফ্লাইটে তাদের ঢাকায় আনা হয়। এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম তদারকিতে আজারবাইজানে দায়িত্ব পালন করছেন তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হক। এছাড়া, সহযোগিতার জন্য ঢাকা থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তা বাকুতে অবস্থান করছেন।

বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা ও সরকারি প্রতিনিধিদের উপস্থিতি

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরান ফেরতদের অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নেয়ামত উল্যাহ ভূঁইয়া এবং পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম। তাদের উপস্থিতি এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রমের গুরুত্ব ও সরকারের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পূর্ববর্তী প্রত্যাবাসন কার্যক্রমের স্মরণ

এর আগে গত বছরের জুনে ইরানে মার্কিন-ইসরায়েল সংঘাতের সময়ও বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রত্যাবাসন করা হয়েছিল। তখন সীমান্তপথে পাকিস্তান হয়ে বিশেষ ফ্লাইটে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। এই ঘটনা বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী নাগরিকদের সুরক্ষা ও প্রত্যাবাসনে দৃঢ় অবস্থানের একটি উদাহরণ হিসেবে কাজ করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রমটি বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ নীতির একটি অংশ হিসেবে দেখা যায়, যা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে। এটি দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।