কুয়েতে আটকা বাংলাদেশিদের জন্য সৌদি আরব হয়ে ফেরার বিশেষ করিডোর উন্মুক্ত
কুয়েতে আটকা বাংলাদেশিদের জন্য সৌদি আরব হয়ে ফেরার করিডোর

কুয়েতে আটকা বাংলাদেশিদের জন্য সৌদি আরব হয়ে ফেরার বিশেষ করিডোর উন্মুক্ত

উপসাগরীয় অঞ্চলের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে কুয়েত তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করায়, দেশটিতে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য একটি বিকল্প যাতায়াত পথ উন্মুক্ত করা হয়েছে। কুয়েতে বসবাসরত যেসব বাংলাদেশি জরুরি প্রয়োজনে দেশে ফিরতে ইচ্ছুক, তারা এখন স্থলপথে সৌদি আরব প্রবেশ করে সেখান থেকে বিমানে বাংলাদেশে আসতে পারবেন। বুধবার (১৮ মার্চ) কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ভিসা ও টিকিটের আবশ্যকীয় শর্তাবলি

দূতাবাস জানিয়েছে, কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশিরা সৌদি আরব হয়ে ফিরতে চাইলে তাঁদের অবশ্যই সৌদি আরবের ভিজিট বা ট্রানজিট ভিসা থাকতে হবে। এক্ষেত্রে ট্রানজিট ভিসায় সৌদি আরবে প্রবেশের পর সর্বোচ্চ ৪ (চার) দিনের মধ্যে দেশটি ত্যাগ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ভিসা প্রাপ্তির প্রক্রিয়া সহজ করতে ট্রানজিট ভিসার জন্য অনলাইনের মাধ্যমে ‘ksavisa.sa’ ওয়েবসাইটে আবেদন করা যাবে। তবে সৌদি আরবে প্রবেশের আগেই আবেদনকারীকে সেখান থেকে বাংলাদেশের ফ্লাইটের টিকিট নিশ্চিত করতে হবে।

দূতাবাসের বিশেষ উদ্যোগ ও আবেদন প্রক্রিয়া

যেসব প্রবাসীর বাংলাদেশে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি, শুধুমাত্র তাঁদের জন্যই কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাস এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে আগ্রহী প্রবাসীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। আবেদন জমা হওয়ার পর দূতাবাসের পক্ষ থেকে সৌদি আরবে প্রবেশের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অবহিত করা হবে। এরপর আবেদনকারীকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কুয়েত ও সৌদি আরব সীমান্তে গিয়ে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শেষ করতে হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

যোগাযোগের সময়সূচি ও বর্তমান পরিস্থিতি

জরুরি প্রয়োজনে আবেদনকারীরা আগামী ২১ মার্চ থেকে যেকোনো কর্মদিবসে সকাল ৮টা হতে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দূতাবাসে যোগাযোগ করতে পারবেন। এছাড়া ছুটির দিনগুলোতে সকাল ১১টা হতে দুপুর ১টা পর্যন্ত দূতাবাসের নিচতলায় ১৩ নম্বর রুমে আবেদনপত্র জমা দেওয়া যাবে। বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের যাতায়াত নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ করিডোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য একটি নিরাপদ বিকল্প পথ হিসেবে কাজ করবে।