২০২৬ হজের জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকাদান নির্দেশনা জারি
ধর্ম মন্ত্রণালয় ২০২৬ সালের হজের জন্য নিবন্ধিত প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নির্ধারিত টিকা গ্রহণের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হজ ব্যবস্থাপনা সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে নিবন্ধিত প্রবাসী হজযাত্রীদের অবশ্যই তাদের অবস্থানরত দেশের নির্ভরযোগ্য হাসপাতাল বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং নির্ধারিত টিকা (মেনিনজাইটিস ও ইনফ্লুয়েঞ্জা) গ্রহণ করতে হবে।
প্রবাসী হজযাত্রীদের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ
স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকাদান সম্পন্ন করার পর হজযাত্রীদের সংযুক্ত ঘোষণা ফর্মে স্বাক্ষর করে মেডিকেল রিপোর্ট ও সহায়ক কাগজপত্রের স্ক্যান কপি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (DGHS) ইমেইল [email protected] এবং সংশ্লিষ্ট এজেন্সিতে পাঠাতে হবে। এছাড়াও, সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলোকে তাদের অফিসিয়াল প্যাডে একটি অঙ্গীকারনামা জারি করে প্রাসঙ্গিক লিড এজেন্সির কাউন্টারসিগনেচার নিয়ে মেডিকেল রিপোর্ট ও সহায়ক কাগজপত্রের প্রিন্টেড কপি সরাসরি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক এবং লাইন ডিরেক্টরের কাছে জমা দিতে হবে।
সরকারি চ্যানেলে নিবন্ধিত প্রবাসীদের জন্য অতিরিক্ত নির্দেশনা
সরকারি চ্যানেলে নিবন্ধিত প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীদের জন্যও একইভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকাদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তাদের স্বাক্ষরিত মেডিকেল রিপোর্ট, সহায়ক কাগজপত্র এবং ঘোষণা ফর্ম স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ইমেইল [email protected] এবং মন্ত্রণালয়ের ইমেইল [email protected] এ পাঠাতে হবে।
ডকুমেন্ট যাচাই ও ই-হেলথ সার্টিফিকেট ইস্যু
জমা দেওয়া ডকুমেন্ট ও ঘোষণা ফর্ম পর্যালোচনার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়োগকৃত চিকিৎসক রিপোর্টগুলো ই-হজ সিস্টেমে প্রবেশ করাবেন এবং ১০ মার্চের মধ্যে ই-হেলথ সার্টিফিকেট ইস্যু করবেন। এটি হজযাত্রীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল ডকুমেন্ট হিসেবে কাজ করবে।
ভিসা আবেদনের চূড়ান্ত সময়সীমা
সব হজযাত্রীদের অবশ্যই ১১ মার্চের মধ্যে সৌদি নুসুক মাসার সিস্টেমের মাধ্যমে তাদের ভিসা আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। এই সময়সীমা অতিক্রম করলে ভিসা প্রক্রিয়ায় বিলম্ব বা সমস্যা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশনা প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীদের জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর ও সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
