মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা: সংযুক্ত আরব আমিরাতে ছয় দিনের ছুটি
মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ছুটি

মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা: সংযুক্ত আরব আমিরাতে ছয় দিনের ছুটি

২০২৬ সালের পবিত্র হজ ও ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সম্ভাব্য তারিখ বিবেচনায় ছয় দিনের সরকারি ছুটি অনুমোদন করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের মন্ত্রিপরিষদ। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আরবি ক্যালেন্ডারের শেষ মাস জিলহজ সম্ভবত আগামী ১৮ মে থেকে শুরু হতে পারে। এই মাসের ১০ তারিখে উদযাপিত হয় পবিত্র ঈদুল আজহা, আর এর আগের দিন পালিত হয় আরাফাতের দিন। ওই দিনই হজের প্রধান আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়, যখন হজযাত্রীরা আরাফাতের প্রান্তরে সমবেত হয়ে অবস্থান করেন।

সম্ভাব্য সময়সূচি ও ছুটির বিবরণ

সে অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে, আগামী ২৬ মে (মঙ্গলবার) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। পরদিন ২৭ মে (বুধবার) পালিত হতে পারে পবিত্র ঈদুল আজহা। এ সম্ভাব্য সময়সূচি বিবেচনায় নিয়েই সংযুক্ত আরব আমিরাতের মন্ত্রিপরিষদ ছুটির অনুমোদন দিয়েছে। দেশটিতে নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি থাকে দুই দিন— শনিবার ও রোববার, ফলে ৩০ ও ৩১ মে পড়ছে সেই সাপ্তাহিক অবকাশে। হজ পালনের দিন ২৬ মে সরকারি ছুটি হিসেবে নির্ধারিত থাকবে। পাশাপাশি ২৭ থেকে ২৯ মে পর্যন্ত ঈদুল আজহা উপলক্ষে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

অর্থাৎ সব মিলিয়ে এবারের ঈদুল আজহা ঘিরে আগামী ২৬ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত মোট ছয় দিন সরকারি ছুটি উপভোগ করবেন দেশটির বাসিন্দারা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে মিল রেখে সৌদি, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও ওমান— এমনকি মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব দেশেই একই তারিখে ঈদ উদযাপনের সম্ভাবনা রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বাংলাদেশে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ

ভৌগোলিক অবস্থান ও চাঁদ দেখার প্রথা অনুযায়ী, বাংলাদেশে সাধারণত সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পর ঈদ পালিত হয়। সেই হিসেবে বাংলাদেশে ২০২৬ সালের ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার ওপর, যা জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে।

এই ঘোষণা মুসলিম বিশ্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি হজ ও ঈদুল আজহার প্রস্তুতিতে সহায়তা করে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই সিদ্ধান্ত অন্যান্য মধ্যপ্রাচ্য দেশগুলোর জন্য একটি নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করতে পারে, যা আঞ্চলিক ঐক্য ও ধর্মীয় উৎসবের সমন্বয়ে ভূমিকা রাখবে।