সৌদি আরব থেকে মার্কিন বাহিনী সরানোর সময় এখনই, বললেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সৌদি থেকে মার্কিন বাহিনী সরানোর সময় এখনই: ইরান

সৌদি আরব থেকে মার্কিন বাহিনী সরানোর সময় এখনই, বললেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টের মাধ্যমে সৌদি আরবকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, দেশটি থেকে মার্কিন সেনাদের সরানোর এটাই উপযুক্ত সময়। তিনি তার পোস্টে ইরান সৌদি আরবকে ‘সম্মান’ করে এবং একটি ‘ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ’ হিসেবে বিবেচনা করার কথা উল্লেখ করেছেন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য

আব্বাস আরাগচি তার পোস্টে আরও স্পষ্ট করে বলেন, ইরানের সাম্প্রতিক অভিযানগুলো মূলত সেইসব ‘শত্রু ও আগ্রাসনকারীদের’ বিরুদ্ধে পরিচালিত হচ্ছে, যারা আরব বা ইরানিদের সম্মান করে না। তিনি তার এই বক্তব্যের সমর্থনে ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি মার্কিন বিমানের ছবিও পোস্টে সংযুক্ত করেছেন, যা আন্তর্জাতিক উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মূল্যায়ন

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান যুদ্ধের সম্ভাব্য সময়সীমা নিয়ে তার অভিমত প্রকাশ করেছেন। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুরু থেকেই বলে আসছেন যে ইরানে এই অভিযান মোট চার থেকে ছয় সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, এখনো এই সময়সীমাই ট্রাম্পের দৃঢ় বিশ্বাস হিসেবে রয়ে গেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ক্যারোলিন লেভিট আরও দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং তা ইতিবাচকভাবে এগিয়ে চলছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানে স্থল সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনাকে সম্পূর্ণভাবে বাতিল করেননি, তবে ‘কূটনীতি এখনো ট্রাম্পের প্রথম পছন্দ’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই মন্তব্যটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আঞ্চলিক প্রভাব

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই আহ্বান এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের মূল্যায়ন মধ্যপ্রাচ্যে চলমান জটিল পরিস্থিতিকে আরও জোরদার করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সৌদি আরব থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের বিষয়টি আঞ্চলিক শক্তি ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলার খবরও এই অঞ্চলের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জকে বাড়িয়ে তুলছে।

সামগ্রিকভাবে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা বিশ্বব্যাপী নজর কেড়েছে, এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর গভীর প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্লেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।